বিনোদন

‘রানী রাসমনি’র অন্তিমপর্বে চোখ ভিজল আপামর দর্শকের, রানিমার শেষযাত্রায় দিতিপ্রিয়ার অভিনয়ে মুগ্ধ বাঙালি

অন্তিম লগ্নে রানিমা, কিন্তু শেষ বেলাতেও ব্রাহ্মণ সমাজের বাধার মুখে পড়লেন তিনি। রানিমার অন্তর্জলী যাত্রা নিয়ে আপত্তি উঠল ব্রাহ্মণ সমাজে। মৃত্যুর পথযাত্রী রানিমাকে শুনতে হল, তিনি নাকি দাম্ভিক। কিন্তু অষ্ট সখীর এক সখীর শেষ ইচ্ছা মা ভবতারিণী পূর্ণ করবেন না, তা আবার হয় নাকি? এমনই এক টানটান উত্তেজনাময় পর্বের সাক্ষী রইল দর্শকেরা।

রানিমা যাত্রা করলেন পরলোকে। রানিমাকে বা বলা ভালো দিতিপ্রিয়াকে আর এই ধারাবাহিকে দেখা ন গেলেও শেষ হচ্ছে না ধারাবাহিক। সেই পনেরো বছর বয়সী এক তরুণী নিজের সমস্তটা উজাড় করে এই ঐতিহাসিক চরিত্রকে টেলিভিশনের পর্দায় জীবন্ত করে তোলে। তাঁর বিদায়েও চোখে জল এল দর্শকের।

রানিমার অন্তিম পর্বের যাত্রা দেখতে দেখতে চোখের কোণ ভেজেনি, এমন দর্শক খুঁজে পাওয়া বিরল। রানিমার শেষযাত্রায় দিতিপ্রিয়ার অভিনয়ে মুগ্ধ হলেন আপামর দর্শক। সোশ্যাল মিডিয়ায় উপচে পড়েছে প্রশংসা। ফেসবুক পেজে কেউ লিখেছেন- “বয়স অল্প, কিন্তু অভিনয়ে দিতিপ্রিয়াই সেরা”। কেউ লিখেছেন “অপূর্ব অভিনয় চোখে জল চলে এল”।

আরও পড়ুন- অঙ্কুশকে ভীষণ মিস করছেন ঐন্দ্রিলা, দেখা-সাক্ষাৎ ছাড়া বেশ বিরহে দিন কাটছে অভিনেত্রীর 

রানী রাসমনির চরিত্রে যখন দিতিপ্রিয়া প্রথম অভিনয় করতে আসেন তখন তাঁর বয়স ছিল পনেরো। প্রথমের দিকে রানিমার ছোটবেলার চরিত্রে অভিনয়ের জন্য বাছা হয় তাঁকে। তিন থেকে ছয়মাস শুটিং-এর কথা ছিল। কিন্তু তাঁর অভিনয়ে দর্শক এতটাই মুগ্ধ হয়ে যান যে দিতিপ্রিয়াকে আর বদলানোর সাহস দেখায়নি নির্মাতারা। তাই কৈশোর পেরিয়ে যৌবন, এরপর বার্ধক্য, সবেতেই দিতিপ্রিয়ার অভিনয় নজর কেড়েছে।

তবে এই চার বছরের দিতিপ্রিয়ার এই যাত্রাপথ শেষ হল ‘মা তুমি আমার কাছে এয়েচো, এই সংলাপের মধ্যে দিয়েই। তবে রানিমা চলে গেলেও, থেকে যাবে তাঁর সৃষ্টি। আজ, সোমবার থেকে শুরু হচ্ছে ‘রানী রাসমনিঃ উত্তর পর্ব’। তবে রানিমার যাত্রা শেষ হলেও দিতিপ্রিয়া দর্শকের মনে থেকেই যাবেন।

এই বিষয়ে দিতিপ্রিয়ার মত, “রানিমার দয়াময়ী দিকটা আর প্রতিবাদী দিকটা নিজের মধ্যে সবসময় রাখার চেষ্টা করব। চার বছরে দর্শকদের এই ভালোবাসাটাও আমার মধ্যে আজীবন থাকবে”।

Related Articles

Back to top button