বিনোদন

‘বড় নেতারা কখনও এ দলে, কখনও ও দলে থেকে ঠিক নিজেদের সেটিংটা করে নেয়’, হঠাৎ কেন এমন বেফাঁস মন্তব্য দেবের গলায়?

দেবের প্রযোজনা সংস্থা একের পর এক ছক্কা হাঁকাচ্ছে। ‘টনিক’-এর পর ‘কিশমিশ’ও দারুণ হিট। করোনা কালে দু’বছর অপেক্ষা করার পর অবশেষে মুক্তি পেয়েছে দেব-রুক্মিণী অভিনীত ‘কিশমিশ’। ছবির প্রচারের জন্য দুজনেই খুব পরিশ্রম করেছেন। আর সেই পরিশ্রমের ফলও পেয়েছেন হাতেনাতে। ‘কিশমিশ’কে ভালোবাসা দিয়েছে দর্শক।

‘কিশমিশ’ ছবিটি পুরোপুরিই একটি প্রেমের ছবি। সকলেই যখন এখন থ্রিলারের দিকে ছুটছেন, সেই সময় বেশ সাহস করেই এমন একটি প্রেমের কাহিনী নিয়ে হাজির হন দেব। আর ‘কিশমিশ’ তাঁকে হতাশ করেনি। এ নিয়ে সম্প্রতি এক সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বললেন দেব।

এই সাক্ষাৎকারে দেব জানান যে তিনি সবসময়ই চেষ্টা করেন যাতে নতুন কিছু করা যায়। ভিন্ন স্বাদের ছবি করার চেষ্টায় থাকেন তিনি। আর ‘কিশমিশ’-এর গল্প শুনেই তাঁর মনে হয়েছিল যে এই গল্প নিয়ে ছবি করা উচিত।

‘কিশমিশ’-এর ট্রেলার দেখেই মুগ্ধ হয়েছিল দর্শক। অনেককাল পর দেবকে এমন কোনও আদ্যোপান্ত প্রেমের গল্পে অভিনয় করতে দেখে বেশ উচ্ছ্বসিত ছিলেন তাঁর অনুরাগীরা। এই ছবির ট্রেলারেরই একটি দৃশ্যে দেখা গিয়েছিল দেবকে সিপিএমের মিছিলে লাল পতাকা নিয়ে হাঁটতে। সেই দৃশ্যের ছবি ভাইরাল হতে খুব বেশি সময় লাগেনি। এই নিয়ে দেবকে কম প্রশ্নের মুখোমুখিও হতে হয়নি।

তবে এই নিয়ে দেব জানান যে তিনি কাউকে কখনই অসম্মান করতে চান নি। তিনি শুধুমাত্র চরিত্রগুলিকে ভালোভাবে উপস্থাপন করার চেষ্টা করেছেন। তিনি এও জানান যে এমন অনেক মানুষ রয়েছে, যারা সত্যিই ‘দিদি’কে পুজো করেন। দেবের কাছে রাজনীতি রাজনীতির জায়গায়। কোনও দল তাঁর পরিচয় হতে পারে না বলেই মত অভিনেতার। দেবের কথায়, ব্যবহারই মানুষের আসল পরিচয়।

দেব বলেন, “নিজের দলের হয়েও যখন প্রচারে যাই তখন এই কথাটাই বলি। বড় বড় নেতারা ঠিক নিজেদের সেটিং করে নেবে। কখনো এ দলে তো কখনো অন‍্য দলে। সমস‍্যাটা গ্রাসরুট লেভেলের রাজনীতিবিদদের। তাঁরা এমন শত্রুতা তৈরি করে নেয় যা সুস্থ পরিবেশ সৃষ্টি করে না। নেতাদের কাজ মানুষকে লড়ানো নয়, বাঁচানো। আমি এই বার্তাটাই দিতে চাই, রাজনীতির মধ‍্যে থেকেও মানুষ যেন ভালবেসে থাকে”।

এর আগেও এক সাংবাদিক সম্মেলনে দেব বলেছিলেন, “একটা দলকে ভালবাসা, সেই দলের প্রশংসা করা বা দলের সঙ্গ নেওয়া তার মানে এই নয় যে বাকিরা তোমার শত্রু। আমি সেই রাজনীতিতে বিশ্বাস করি না। যেদিন সেটা বিশ্বাস করতে শিখব সেদিন রাজনীতি ছেড়ে দেব। আমি কথা দিলাম”।

Related Articles

Back to top button