সব খবর সবার আগে।

“নেগেটিভিটি মেনে নে নাহলে বাঁচতে পারবি না শ্রীলেখা”, উপদেশ দিলেন শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়

সুশান্ত সিং রাজপুতের অস্বাভাবিক মৃত্যুর পর স্বজনপোষণ নিয়ে তোলপাড় বলিউড। করণ জোহর, সঞ্জয় লীলা বনশালী থেকে শুরু করে চোপড়া পরিবারেও হানা দিয়েছে স্বজনপোষণের অভিযোগ। স্টার কিডদের প্রমোট করা নিয়ে উঠছে বিস্তর আপত্তি। সেখানে টলিউড ইন্ডাস্ট্রিতে যে এর আঁচ লাগবে না তা হয় না। টলিউডে এ বিষয় নিয়ে প্রথমে বিস্তারিত মুখ খুলেছেন অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র। কিছুদিন আগেই তিনি ইউটিউব লাইভে এসে একের পর এক বোমা ফাটিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তের প্রেম থাকায় তিনি সেই সময় কাজ পাননি। এছাড়াও পরিচালক সৃজিত মুখোপাধ্যায়, অভিনেতা স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায় ও প্রযোজক অশোক ধানুকা সহ আরও বিভিন্ন জনের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন শ্রীলেখা। সেই নিয়ে রীতিমত সরগরম টলিউড। শ্রীলেখার পক্ষে মুখ খুলেছেন অভিনেতা তথাগত মুখোপাধ্যায়। তেমনই স্বস্তিকা ফেসবুকে এর প্রতিবাদে দীর্ঘ পোস্ট করেছেন। সৃজিত মুখোপাধ্যায় আবার তা শেয়ারও করেছেন।

এবার সম্প্রতি সংবাদমাধ্যমে শ্রীলেখার সঙ্গে লাইভ ইন্টারভিউতে বসে তাঁকে অভিনেতা শাশ্বত চট্টোপাধ্যায় দিলেন কিছু মূল্যবান উপদেশ। তিনি বললেন, এই প্রকার নেগেটিভিটি থেকে তাঁকে বেরোতেই হবে নাহলে বাঁচতে পারা যাবে না। বিশ্বের প্রতিটা প্রফেশনে এই এক জিনিস আছে কিন্তু এগুলো যদি আমরা ধরে বসে থাকি তাহলে কখনোই বেরোতে পারবোনা। আমাদের নিজেদেরকে এখান থেকে বের হতেই হবে। তিনি এও বারবার বলছেন যে শ্রীলেখার মত প্রতিভাময়ী অভিনেত্রী বাংলা ইন্ডাস্ট্রিতে খুবই কম আছে। তিনি নিজে প্রতিষ্ঠিত অভিনেতা শুভেন্দু চট্টোপাধ্যায় এর ছেলে হওয়া সত্ত্বেও তাঁকে বাদ দেওয়া হয়েছে সিনেমা থেকে। নেপোটিজম এর তত্ত্ব সবসময় টলিউড ইন্ডাস্ট্রিতে খাটে না। এমনও হয়েছে তিনি দুদিন ধরে একটা সিনেমার স্ক্রিপ্ট শুনেছেন পরে গিয়ে জানতে পেরেছেন তা কেউই সিনেমা থেকেই বাদ দিয়ে দেওয়া হয়েছে। তিনি কিন্তু এই ঘটনার কথা মাথাতেই রাখেননি কারণ তিনি জানতেন যদি তিনি এটা রেখে দিতেন মনে, তাহলে তিনি আর পরবর্তী কাজ কোনদিনও করতে পারবেন না। তাই তিনি শ্রীলেখাকেও একই উপদেশ দিয়েছেন যে “এটা থেকে তুই বেরো, না হলে কিন্তু তুই বাঁচতে পারবি না।”

কোথাও গিয়ে অভিনেতা শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়ের কথা বর্তমান দিনে দাঁড়িয়ে কিছুটা হলেও প্রাসঙ্গিক মনে করছেন অনেকেই।

Leave a Comment