বিনোদন

“আমাকে মুক্তি দাও”, বন্ধ ঘরে একা একা কাঁদছেন কাঞ্চন মল্লিক!

তিনি পড়েছেন বড্ড বিপাকে। বিধায়ক কাঞ্চন মল্লিক এখন নিজের দায়িত্ব ফেলে ঘর সামলাবেন নাকি বান্ধবীর মন, তা বুঝতে পারছেন না। সম্প্রতি জানা গিয়েছে তিনি বন্ধ ঘরে বসে একা একা কাঁদবেন আর মুক্তি চাইছেন পিঙ্কির থেকে।

যাব না আজ সকালেই পিঙ্কি একটি সর্বভারতীয় সভাপতি না জানিয়ে দিয়েছেন যে তিনি অনেকদিন আগেই বুঝতে পেরেছিলেন যে কাঞ্চনের সঙ্গে শ্রীময়ী চট্টরাজের বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক রয়েছে। “একজন বৌ নিজের স্বামীর পরকীয়া সম্পর্ক সম্বন্ধে ঠিকই বুঝতে পারে। গত বছর লকডাউনের সময় থেকেই আমি ব্যাপারটা বুঝতে পেরেছিলাম।”, ঠিক এই ভাষাতেই নিজের বক্তব্য জানিয়েছেন পিঙ্কি।

আবার অন্যদিকে কাঞ্চনও বোমা ফাটিয়েছেন। তিনি বলেছেন যে, পিঙ্কি আসলে নিজের দাবি দাওয়া বুঝে নিতেই এইরকম চালাকি করছেন। কাঞ্চনের বিধায়ক হওয়ার পরেই নাকি পিঙ্কি নিজের আবদারের ঝুলি খুলে বসেন। পিঙ্কিকে মাসে তিন লক্ষ টাকা দিতে হবে, তাদের ছেলের আয়ার ভাইকে চাকরি করে দিতে হবে, এইসব দাবি কাঞ্চনের কাছে তার বিধায়ক পদে নির্বাচিত হওয়ার পরেই জানিয়েছিলেন পিঙ্কি। এছাড়াও কাঞ্চন পিঙ্কির সম্বন্ধে আরও বিস্ফোরক সব তথ্য জানিয়েছেন।

এর আগেই তিনি বলেছিলেন যে বিয়ের কুড়ি দিনের মাথায় কাঞ্চনের মাকে মেনে নিতে পারেননি পিঙ্কি তাই বাপের বাড়ি চলে গিয়েছিলেন তিনি। তখন থেকে পিঙ্কি বাপের বাড়িতেই থাকেন এমনকি যখন কাঞ্চনের মা-বাবা মারা গিয়েছিলেন তখন পিঙ্কি কাঞ্চনের পাশে এসে দাঁড়াননি।

সব থেকে বড় কথা বিধায়ক পদে যে তারপরে মিষ্টি নিয়ে কাঞ্চন শ্বশুর বাড়ি গিয়েছিলেন অথচ তার পরেরদিন পিঙ্কি একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের সাক্ষাৎকার দিয়ে বলেছিলেন একজন জাত অভিনেতার অপমৃত্যু হল। যা শুনে খুব কষ্ট পেয়েছিলেন কাঞ্চন মল্লিক।

এখন তিনি জানাচ্ছেন যে, সবাইকে হাসানো মানুষটাই নাকি আজ ‘একা বন্ধ ঘরে হাউ হাউ করে কাঁদছেন’। “আমি রাস্তায় বের হতে পারছি না। জানি না নিজের দল তৃণমূলের সদস্যদের কী করে মুখ দেখাব। কী কৈফিয়ত দেব মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে?” অসহায় গলায় বলছেন কাঞ্চন মল্লিক।

এছাড়াও তিনি জানিয়েছেন যে, পিঙ্কি অভিযোগ করেছেন তিনি নাকি মদ খেয়ে তার সঙ্গে অশালীন আচরণ করতেন। অথচ পিঙ্কির গোটা পরিবার কোনো অনুষ্ঠানে মদ ছাড়া চলতে পারে না আর সেই মদের যোগান কাঞ্চন মল্লিককেই দিতে হতো। গত লকডাওনে দু লক্ষ টাকা এবং রেশন তিনি পিঙ্কির বাড়িতে পাঠিয়েছেন এবং তার প্রমাণও তার কাছে রয়েছে।

তাই তিনি যত দ্রুত সম্ভব এই মিথ্যা অপবাদ থেকে মুক্তি পেতে চান। ছেলের দায়িত্ব নিজের কাছে নিয়ে তিনি পিঙ্কির কাছ থেকে মুক্তি চেয়েছেন।

Related Articles

Back to top button