সব খবর সবার আগে।

‘তান্ডব’ বিতর্কে ঘৃতাহুতি কঙ্গনার! নিজেদের ধর্ম নিয়ে এমন মজা করার পর, ক্ষমা চাওয়া পর্যন্ত বাঁচবেন তো? প্রশ্ন তাঁর

‘তান্ডব’ ওয়েব সিরিজ মুক্তির পর থেকেই হিন্দু ধর্মের আরাধ্য দেবতা ভগবান শিবকে অপমান করা হয়েছে এই অভিযোগে নির্মাতা এবং অভিনেতাদের বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফুঁসছে নেটিজেনদের একাংশ।

এই ঘটনার জেরে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম আমাজন প্রাইম কর্তৃপক্ষকে তলবও করে কেন্দ্রীয় তথ্য-সম্প্রচার মন্ত্রক। এই ওয়েব সিরিজ নিয়ে দেশজুড়ে  দর্শকদের প্রতিক্রিয়া দেখে সর্বসম্মুখে ইতিমধ্যেই ক্ষমা চেয়েছেন এই বিতর্কিত ওয়েব সিরিজের পরিচালক আলি আব্বাস জাফর।

কিন্তু বিতর্ক এখানে থামার নয়, হিন্দু ধর্মকে নিয়ে বারবার এমন ঘটনা কেনও ঘটবে। কেনও বারবার হেয় করা হবে এই ধর্মকে। এত সহজে এবার ছেড়ে দেওয়া হবে না। হুমকি দিচ্ছেন হিন্দুত্ববাদীরা। সইফ আলী খানকে এর ফল ভুগতে হবে বলে ইতিমধ্যেই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ।

আর এবার এই বিতর্কে পা মেলালেন বলিউডের অন্যতম বিতর্কিত অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাওয়াত।

উক্ত বিতর্কিত ওয়েব সিরিজের একটি দৃশ্যে অভিনেতা জিশান আয়ুবকে দেখা যায় ভগবান শিবের বেশ ধারণ করে বিতর্কিত মন্তব্য করতে। সম্প্রতি কঙ্গনা সত্যেন্দ্র রাওয়াত নামের এক ট্যুইটার ব্যবহারকারী বিজেপি নেতা কপিল মিশ্রার একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন। কঙ্গনা রানাওয়াত সেই ভিডিও রিট্যুইট করেছেন। কঙ্গনা ওই ভিডিওটি রিট্যুইট করে লেখেন, ‘সমস্যা হিন্দু ফোবিক বিষয়বস্তু নিয়ে নয়। বরং এটি গঠনমূলকভাবেও খারাপ।আপত্তিজনক এবং বিতর্কিত দৃশ্যগুলি প্রতিটি স্তরে রাখা হয়েছে। সেটিও ইচ্ছাকৃতভাবে। দর্শকদের উপর নির্যাতন ও অপরাধমূলক অভিপ্রায়ের জন্য তাকে জেলে ঢোকানো উচিৎ।’

কঙ্গনা কপিল মিশ্রার ট্যুইট রিট্যুইট করে লেখেন, ‘ক্ষমা চাওয়ার জন্য বাঁচবে নাকি? ওঁরা সোজা মাথা কেটে দেয়, জিহাদি দেশ গুলো ফতোয়া জারি করে। লিবারেল মিডিয়া ভার্চুয়াল ভাবে লিঞ্চিং করে দেয়, তোমাদের শুধু প্রাণেই মারবে না ওঁরা, সেটিকে জাস্টিফাইও করা হবে। এবার বলো আলী আব্বাস জফর, আল্লাহকে নিয়ে এই রকম মজা করার হিম্মত আছে?’

বিজেপির নেতা কপিল মিশ্র আলী আব্বাস জফরের ক্ষমা চাওয়া নিয়ে একটি ট্যুইট করেছেন। সেখানে তিনি আলী আব্বাসকে প্রশ্ন করে বলেছেন, আপনি নিজের ধর্ম নিয়ে এসব করতে পারবেন তো? কপিল মিশ্রা বলেন, ‘আলী আব্বাস জফর জি, কখন‌ও নিজের ধর্ম নিয়ে সিনেমা বানিয়ে ক্ষমা চেয়ে দেখুন। সব বাকস্বাধীনতা আমাদের ধর্মের সাথেই কেন? কখনও নিজেদের একমাত্র ইষ্টকে নিয়ে এরকম সিনেমা বানিয়েও লজ্জিত হন। আপনার অপরাধের হিসেবে ভারতের আইন করবে। ঘৃণার কনটেন্ট তুলে নিন, তাণ্ডবকে ব্যান হতেই হবে।’

You might also like
Comments
Loading...