সব খবর সবার আগে।

‘একটা মানুষ কখনও ভোট প্রচার করল না সে জিতে গেল’, মুকুলের দলবদলে প্রতিক্রিয়া ‘একসময়ের প্রতিপক্ষ’ কৌশানির

এই তো মাস দেড়েক আগেও তারা একে অপরের বিরুদ্ধে নানান মন্তব্য করে এসেছেন। একে অপরকে নানাভাবে বিঁধে এসেছেন। একে অপরের প্রতিপক্ষ ছিলেন যে। মানুষের ভোট জিততে একে অপরকে হেয় করেছেন। কিন্তু এখন? এখন সময় পালটেছে। এখন তারা একই দলের সৈনিক। কথা হচ্ছে মুকুল রায় ও অভিনেত্রী কৌশানি মুখোপাধ্যায়ের বিষয়ে।

২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনে এই দুজনেই আলাদ আলাদা দলের হয়ে কৃষ্ণনগর উত্তর কেন্দ্র থেকে ভোটে দাঁড়িয়েছিলেন। মানুষের সঙ্গে অনেকটা ঘনিষ্ঠ হন কৌশানি। কিন্তু তা-ও শেষ হাসিটা হেসেছেন মুকুল রায়ই। এরপর গতকাল, শুক্রবার মুকুল রায় প্রত্যাবর্তন করেছেন তৃণমূলেই।

আরও পড়ুন- ‘বিজেপির সঙ্গে তো লিভ-ইন করেছি’, ফের তৃণমূলে ফেরতের পর মুকুলকে তীব্র কটাক্ষ শ্রীলেখার 

এই বিষয়ে কৌশানি এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে জানান, “আফটার হল এটা রাজনীতি। একটা জল্পনা-কল্পনা তো চলছিলই। কৃষ্ণনগরে থেকে সবচেয়ে অবাক লেগেছিল একটা মানুষ কখনও বেরল না, কখনও প্রচার করল না, মানুষের কাছাকাছি এল না সে হঠাৎ জিতে গেল। তারপরেই মনে হয়েছিল তৃণমূলের এই যে এত আসন নিয়ে জয়, হয়তো উনি আবারও যোগ দিলেও দিতে পারেন। আজ দেখলাম সেটাই সত্যি হল”।

কৌশানি আরও বলেন, “নিঃসন্দেহে এটা একটা বড় রাজনৈতিক পদক্ষেপ। ছেলেকে সেফগার্ড করা, এগুলো তো চলছিলই। সো উই অল হ্যাভ টু ওয়েট অ্যান্ড ওয়াচ”।

২০১৭ সালে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন মুকুল রায়। এরপর বিজেপির সঙ্গে তাঁর সাড়ে তিন বছরের যাত্রা শেষ করে ২০২১-এ ‘ঘর ওয়াপসি’ হল মুকুলের। তাঁকে উত্তরীয় পরিয়ে স্বাগত জানান দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

আরও পড়ুন- পিকের সঙ্গে গোপন বৈঠক শাহরুখের! আলোচ্য বিষয় কী? রাজনৈতিক থেকে চলচ্চিত্র জগতে জল্পনা তুঙ্গে 

মুকুলের প্রত্যাবর্তনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “অনেকে ভোটের সময় দলের সঙ্গে খুব গদ্দারি করছে। মুকুল কিন্তু ভোটের সময় একটি কথাও বলেনি দলের বিরুদ্ধে। যারা গদ্দারি করে নিম্নরুচির পরিচয় দিয়েছেন, তাঁদের আমরা নেব না।”

You might also like
Comments
Loading...