সব খবর সবার আগে।

‘বড়ই আটপৌরে, ঠিক যেন মায়ের মতো’, ঐন্দ্রিলার ঠাকুর দেখার আবদার পূরণ করলেন সব্যসাচী

অভিনেত্রী ঐন্দ্রিলা শর্মা ও অভিনেতা সব্যসাচী চৌধুরীর প্রেম এখন লোকমুখে প্রচলিত। এ বছরের গোড়ার দিক করেই মারণ রোগে আক্রান্ত হন ঐন্দ্রিলা। তিনি নিজে যখন মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন, সেই সময় তাঁর হাত আরও শক্ত করে ধরেন সব্যসাচী। প্রত্যেক কঠিন মুহূর্তে সবসময় ঐন্দ্রিলা পাশে পেয়েছেন ছোটোপর্দার বামক্ষ্যাপাকে। প্রেমিকার নানান ইচ্ছে, বায়না পূরণ করার চেষ্টা করেন সব্যসাচী।

কিছুদিন আগেই হয়েছে ঐন্দ্রিলার অস্ত্রোপচার। এই সময়টা ঐন্দ্রিলার জন্য খুব চ্যালেঞ্জিং একটা সময়। ধীরে ধীরে তাঁর শরীর সুস্থ হচ্ছে। চিকিৎসকের পরামর্শ কড়াভাবে মেনে চলতে হচ্ছে ঐন্দ্রিলাকে। এসবের মধ্যে তো তাঁর পাশে রয়েইছেন সব্যসাচী।

কিন্তু দুর্গাপুজো বলে কথা। বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব। সমস্ত বাঙালির আলাদাই আবেগ কাজ করে এই সময়। তাই ঐন্দ্রিলা সব্যসাচীর কাছে আবদার করে বসেন যে তাঁকে ঠাকুর দেখাতে নিয়ে যেতে হবে। প্রেমিকার আবদার ফেলতে পারেন নি সব্যসাচী। তাই তৃতীয়ার দিন মধ্যরাতে ঐন্দ্রিলাকে নিয়ে বেরিয়ে পড়লেন ঠাকুর দেখতে। সেই ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেন সব্যসাচী। কিন্তু অত ভিড়ের মধ্যে অসুস্থ ঐন্দ্রিলার পক্ষে ঠাকুর দেখা সম্ভব নয়। কিন্তু শেষমেশ ঘটল এক ঘটনা।

সব্যসাচী নেটমাধ্যমে লেখেন, “বায়না করেছিল যে পুজোর ছুটিতে আমি বাড়ি যাওয়ার আগে একটা ঠাকুর দেখাতেই হবে। ঐন্দ্রিলার শরীর একটু ভালো থাকাতে, ভয়ে ভয়ে নিয়ে গিয়েছিলাম দক্ষিণ কলকাতার দুই নামকরা পূজা মণ্ডপে। অজস্র মানুষের মিছিল, ব্যারিকেড আর ‘নো পার্কিং’ এর স্রোতে ঘেমেনেয়ে হতাশ হয়ে বললো, ধুর, বাড়ি নিয়ে চলো, ঠাকুরকেই তো দেখতে পাচ্ছি না”।

এখানেই শেষ নয়, অভিনেতা আরও লেখেন, “ফেরার পথে এক অচেনা পাড়ার মোড়ে এই ক্ষুদ্র নামহীন প্যান্ডেলটি দেখে একেবারে সামনে গিয়ে দাঁড়ালাম। মধ্যরাতে, মানুষ তো দূরের কথা, কাক পক্ষীও নেই। তবে এই বিগ্রহের কোনো থিম নেই, চাকচিক্য নেই, আড়ম্বর নেই। বড়ই সাদামাটা, বড়ই আটপৌরে, ঠিক যেন মায়ের মতন”।

তাদের এই ভালোবাসায় মোড়া পোস্ট দেখে উচ্ছ্বসিত নেটবাসীরা। সকলেই তাদের এই ছবি দেখে প্রশংসা করেছেন।

You might also like
Comments
Loading...