সব খবর সবার আগে।

ত্রিনয়নীর নয়ন এখন প্রেমরোগে আক্রান্ত, মানুষটি কে? দেখুন ভিডিও!

শ্যামলা মুখের মেয়েটা আজ বাংলা টিভি জগতের অন্যতম ভরসা। ত্রিনয়নী ধারাবাহিকের নয়ন অর্থাৎ শ্রুতি দাস সাধারণ মানুষের মধ্যে অত্যন্ত জনপ্রিয়। ধারাবাহিক শেষ হয়ে গিয়েছে কিন্তু নয়নকে ভুলতে পারেননি কেউই।

তবে শ্রুতি দাসের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে আলাপ-আলোচনা কিন্তু কম হয় না। নয়ন নাকি প্রেম করছেন। তবে তার প্রেমিক তার থেকে ১৪ বছরের বড় এবং এটা নিয়েই মানুষের মাথা ব্যথা। তবে এবার ‘হেটার্সদের মুখে ঝামা ঘষে’ দুজনের একসঙ্গে আবেগঘন ফটো পোস্ট করলেন শ্রুতি। প্রকারান্তরে সমালোচকদের প্রত্যুত্তর দিলেন এই ছবির মাধ্যমে।

শ্রুতির প্রেমিক কে জানেন?ত্রিনয়নী ধারাবাহিকের পরিচালক স্বর্ণেন্দু সমাদ্দার। ধারাবাহিক শেষ হতেই শ্রুতির ফেসবুক প্রোফাইলে রিলেশনশিপ স্ট্যাটাসে লেখা রয়েছে ইন এ রিলেশনশিপ এবং স্বর্ণেন্দুও নিজের স্ট্যাটাস বদলে করে ফেলেছেন এঙ্গেজড। এই পুজোতে দুজনের প্রেমের এক বছর পূর্ণ হল।

তবে প্রেম নিয়ে নেটিজেনদের কটুক্তির মুখে বারবার পড়তে হয় এই যুগলকে। তার একমাত্র কারণ বয়সের পার্থক্য। সকলেই বারংবার বলেন যে বাবার বয়সী লোকের সাথে প্রেম করছেন শ্রুতি। তবে একটি সংবাদ মাধ্যমের সাক্ষাৎকারের নয়ন কিন্তু বেশ স্পষ্টভাবেই মুখের ওপর জবাব দিয়েছে,”২৭ বছরের ছেলের সঙ্গে প্রেম আমার হবে না। ১৪ বছরের বড় স্বর্ণেন্দুই আমার বর!”

এই বছর পুজোর শুরু থেকেই একান্তে সময় কাটিয়েছেন দুজন এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজেদের কাটানো মুহূর্তের একাধিক ছবি ও ভিডিও পোস্ট করেছেন। তবে অষ্টমীর দিন কাটোয়ায় চলে যান শ্রুতি নিজের বাড়িতে এবং সেখানেই ঘটে মজাদার ঘটনা। প্রিয় তোমাকে দেখার জন্য ভিডিও কল করেছিলেন স্বর্ণেন্দু এবং সেই সময় শ্রুতির বোনরা তার মুখে আইসক্রিম ভরে দেয়। ‌ সেই মজার ভিডিয়ো নিজেই পোস্ট করলেন শ্রুতি নিজের সোশ্যাল মিডিয়ার পেজে। ক্যাপশনে লিখলেন, ‘মুখের ভেতর ঠাণ্ডা আইসক্রিম ঠুসিয়ে দিয়ে ইচ্ছাকৃত এ রকম ব্ল্যাকমেল জামাইবাবুর শালিরা ছাড়া জাস্ট কেউ করতে পারে না’। বোঝাই যাচ্ছে প্রেম কতটা গভীর।

আর বিজয়া দশমীতে যে পোস্ট করেছেন শ্রুতি তা থেকে একথা রীতিমতো স্পষ্ট যে তিনি মানুষের কোন কথাকেই পাত্তা দেন না। দুজনের ছবি দিয়ে লিখলেন,”হেটার্সদের মুখে ঝামার বদলে বিজয়ার মিষ্টির রস ঘষব তো ভি আচ্ছা। তোকে নিয়ে আমার আদিখ্যেতা ছিল, আছে, থাকবে… সমাদ্দারবাবু।’’

You might also like
Comments
Loading...