সব খবর সবার আগে।

সুশান্ত ডিপ্রেশনে থাকার ছেলে নয়, জোর গলায় দাবি করলেন অঙ্কিতা লোখান্ডে

এবার সরাসরি মুখ খুললেন ‌অঙ্কিতা লোখান্ডে। সম্প্রতি তিনি একটি সাক্ষাৎকারে বলেছেন, “সুশান্ত আত্মহত্যা করার মতো মানুষই ছিল না। আমরা একসঙ্গে কত ভালো খারাপ মুহূর্ত দুটোই দেখেছি। আমরা একসঙ্গে খুবই ভালো ছিলাম।”

সুশান্তর মৃত্যুর একমাস পরে কোনরকম কথা বলেননি অঙ্কিতা। তার বান্দ্রার ফ্ল্যাটে অবশ্য গিয়েছিলেন তিনি। গত পরশু ইনস্টাগ্রামে প্রথম মুখ খোলেন তিনি। ইনস্টাগ্রামে ছবিতে লেখা ছিল ট্রুথ উইনস অর্থাৎ সত্যের জয় হবেই।

অঙ্কিতা আরও বলেন যে, সুশান্ত নিজের স্বপ্ন লিখে রেখে দিত। ওর একটা ডাইরি ছিল। আগামী পাঁচ বছরের পরিকল্পনা ও লিখে রেখেছিল। সেখানে মানুষটার সঙ্গে ডিপ্রেশনের মত শব্দ জুড়ে দেওয়া হচ্ছে এটা খুবই দুঃখজনক। ওর মন খারাপ থাকতে পারে তাই বলে ডিপ্রেশন? কোন মানুষের বাইপোলার ডিসঅর্ডার আছে বলা মানে সেটা তো বিরাট একটা ব্যাপার!

২০১০ সালে পবিত্র রিস্তা ধারাবাহিকের মাধ্যমে দু’জনের আলাপ। রিল লাইফের প্রেম রিয়েল লাইফে পরিণত হয়। যদিও ছয় বছর পর তাদের সম্পর্ক ভেঙে যায়।

এছাড়াও গত কাল সন্ধ্যা সাড়ে সাতটা নাগাদ অঙ্কিতার ফ্ল্যাটে যান পুলিশ আধিকারিকরা। উল্লেখ্য এই মামলায় মুম্বই পুলিশ কোনওরকম যোগাযোগ করেনি অঙ্কিতা লোখান্ডের সঙ্গে। গতকাল রাতেই অঙ্কিতার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল পাটনা পুলিশের দল। তখনই অঙ্কিতা বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছিলেন পুলিশকে। সূত্রের খবর, অঙ্কিতা জানান রিয়া চক্রবর্তীর সঙ্গে সম্পর্ক ভাঙতে চাইছিলেন সুশান্ত। গত বছর মণিকর্ণিকা মুক্তির সময় সুশান্ত তাঁকে বেশ কিছু মেসেজও পাঠান এই সংক্রান্ত। সুশান্তের মৃত্যুর পর এই বিষয়টি অভিনেতার পরিবারকেও জানিয়েছেন অঙ্কিতা।

এছাড়াও গতকাল সকালে সুশান্তের ‘গায়েব’ ১৫ কোটি টাকার হদিশ পেতে বান্দ্রার কোটাক মহিন্দ্রা ব্যাঙ্কে যান পাটনা পুলিশের তদন্তকারী দলের দুই সদস্য। জেরা করা হয় সুশান্তের পরিচারক এবং রাঁধুনিকে। আবার এই ১৫ কোটি টাকা গায়েবের ব্যাপারে পাটনা পুলিশের তরফ থেকে এফআইআরের কপি চেয়ে পাঠিয়েছে ইডি। অর্থাৎ সবমিলিয়ে সুশান্ত সিং রাজপুত অস্বাভাবিক মৃত্যু মামলা এখন গুরুত্বপূর্ণ দিকে মোড় নিয়েছে।

You might also like
Leave a Comment