দেশবিনোদন

অক্সিজেনের ঘাটতি একাধিক রাজ্যে, দিল্লির হাসপাতালে অক্সিজেন সিলিন্ডার পাঠানোর উদ্যোগ নিলেন সুস্মিতা

করোনার দ্বিতীয় ঢেউ দেশজুড়ে আছড়ে পড়েছে। মারণ কামড় বসাচ্ছে করোনা। দ্রুত গতিতে ছড়াচ্ছে সংক্রমণ। এর ফলে জেরবার দেশের হাসপাতালগুলি। কোথাও বেডের ঘাটতি, তো কোথাও আবার অক্সিজেনের। কোথাও নেই পর্যাপ্ত চিকিৎসক।

এরই মধ্যে এক অভাবনীয় উদ্যোগ নিলেন প্রাক্তন মিসেস ইউনিভার্স বাঙালি কন্যা সুস্মিতা সেন। তিনি জানান যে তিনি বেশ কিছু অক্সিজেন সিলিন্ডারের ব্যবস্থা করতে পেরেছেন। তিনি এই সিলিন্ডার পাঠাতে চান দিল্লির শান্তি মুকুন্দ হাসপাতালে। সুস্মিতা একটি ভিডিও শেয়ার করেছেন যেখানে সেই হাসপাতালের সিইওকে অক্সিজেনের ঘাটতির জন্য কান্নায় ভেঙে পড়তে দেখা গিয়েছে।

আরও পড়ুন- করোনা মোকাবিলায় ভারতের পাশে দাঁড়াল ফ্রান্স, সাহায্যের বার্তা দিলেন রাষ্ট্রপতি ইম্যানুয়েল ম্যাক্রো

সুস্মিতার শেয়ার করা ভিডিওতে উক্ত হাসপাতালের সিইও সুনীল সাগগারকে বলতে শোনা যায়, “আমাদের কাছে কয়েকটা মাত্র অক্সিজেন সিলিন্ডার রয়েছে। আমরা চিকিৎসকদের অনুরোধ করেছি, জাদের ছেড়ে দেওয়া যায়, তাদের ছুটি দিয়ে দিন। এটা হয়ত মাত্র দু’ঘণ্টা কি এর একটু বেশি চলবে”।

সুস্মিতা টুইটে লেখেন, “এটি হৃদয় বিদারক বিষয়। অক্সিজেনের ঘাটতি সব জায়গায়। আমি কিছু অক্সিজেন সিলিন্ডারের ব্যবস্থা করতে পেরেছি হাসপাতালের জন্য, কিন্তু মুম্বই থেকে দিল্লিতে নিউয়ে যাওয়ার কোনও গাড়ি পাচ্ছি না। আমাকে দয়া করে সাহায্য করুন”।

তাঁর অনুরাগীরা তাঁকে দিল্লিতে অক্সিজেন পৌঁছনোর অনেক রকম পরামর্শ দিয়েছেন। একজন আবার লিখেছেন, দিল্লিতে না পাঠিয়ে মুম্বইতেই সিলিন্ডারগুলো রেখে দিলে হয় না? এই উত্তরে মিসেস ইউনিভার্স বলেছেন, “আমি খোঁজ নিয়েছি, মুম্বইয়ে এখনও পর্যাপ্ত অক্সিজেন সিলিন্ডার রয়েছে। দিল্লির এটা বেশি দরকার, বিশেষ করে ছোটো হাসপাতালগুলিতে। তাই আপনি যদি পারেন, তাহলে সাহায্য করুন”।

আরও পড়ুন- রক্ষাকর্তা ভারতীয় সেনাই! ১০০০ বেডের কোভিড হাসপাতালে পরিণত হল সেনা হাসপাতাল, জার্মানি থেকে এল ২৩টি অক্সিজেন প্লান্ট 

সুস্মিতা অবশ্য পরে একটি ভালো খবরও দেন। তিনি লেখেন, “হাসপাতালটি আপাতত অক্সিজেনের ব্যবস্থা করতে পেরেছে। সিলিন্ডার পাঠাতে আমরা আরও একটু সময় পেলাম। সচেনতা ও সমর্থন করার জন্য আপনাদের সকলকে অনেক ধন্যবাদ। গভীরভাবে কৃতজ্ঞ। ভালো থাকুন।“ অভিনেত্রীর এই উদ্যোগের জন্য তাঁকে সমর্থন ও প্রশংসা করেছেন নেটিজেনরা।

Related Articles

Back to top button