বিনোদন

রাজ্য পুলিশের মাদক বিরোধী সচেতনমূলক প্রচারে রুদ্রনীলের ছবি ও সংলাপ! তবে কী ফের দলে টানার চেষ্টা? প্রতিক্রিয়া দিলেন অভিনেতা নিজেও

মনে আছে ‘ভিঞ্চিদা’ ছবির সেই বিখ্যাত সংলাপ- ‘ধরতে পারবেন না’! সেই সংলাপ এখনও সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক ভাবে ভাইরাল। কতই না মিম, জোকস বেরিয়েছে এই সংলাপ নিয়ে। তবে রাজ্য পুলিশের সতর্কমূলক প্রচারেও এই সংলাপ? এও কী বিশ্বাসযোগ্য? এই কাণ্ড দেখে তো অভিনেতা তথা বিজেপি নেতা রুদ্রনীল ঘোষও অবাক।

পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ মাদক নিয়ে সচেতনমূলক প্রচারে রুদ্রনীলের ছবির একটি সংলাপ তাঁর ছবি-সহ ব‍্যবহার করেছে। এই ছবির উপরে লেখা, “বিভিন্ন জায়গায় মাদকচক্রের খপ্পরে পড়ে কখন যে আপনি নিজেই মাদকাসক্ত হয়ে পড়বেন: ধরতে পারবেন না”। এর সঙ্গে আরও লেখা, “সংযত থাকুন এবং সচেতন হোন। আসক্তি থেকে নিজেকে দূরে রাখুন এবং অন‍্যদের দূরে থাকতে সাহায‍্য করুন”।

রাজ্য পুলিশের এমন সচেতনমূলক ছবি নিয়ে বেশ গুঞ্জন শুরু হয়েছে। এই নিয়ে প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন রুদ্রনীল নিজেও। তিনি লিখেছেন, “বিস্মিত হয়েছি, মজাও পেয়েছি। পশ্চিমবঙ্গ পুলিস তাদের মাদক বিরোধী সচেতনামূলক বিজ্ঞাপনে আমার ছবি ব্যবহার করেছেন দেখে। (আমার পার্মিশান কেউ নেন নি)। প্রথমতঃ  এই ছবিটি সৃজিত মুখার্জী পরিচালিত বহুল প্রশংসিত  #ভিঞ্চিদা সিনেমার স্টিল ছবি। আমার মুখের জনপ্রিয় সংলাপ ‘ধরতে পারবেন না’ কে তারা নিয়েছেন। এতে মানুষকে আকর্ষণ করতে চেয়েছেন”।

এই নিয়ে অবশ্য কটাক্ষ করতেও কসুর করেন নি রুদ্রনীল। তাঁর কথায়, “কিন্তু এটা তো হবার কথা না। রাজ্য সরকারের বিজ্ঞাপনে, পুরষ্কার বা সম্মান পাওয়ার লিস্টে ফিলিম ফেস্টিভ্যালের আমন্ত্রণ লিস্টে, মঞ্চে তো সাধারণতঃ শাসকদলের হয়ে প্রচার করা শিল্পী বুদ্ধিজীবীরাই স্থান পান!!! তাহলে আমি কেন? রোজই তো এ রাজ্যে যা যা অন্যায় চুরি জোচ্চুরি ঘটছে তা নিয়ে কোন না মিডিয়ায় কথা বলি!!! তাহলে এটা কেন ঘটল”।

নিজের এমন প্রশ্নের উত্তরের জবাব নিজেই আবার দিয়েছেন। রুদ্রনীলের মতে, এটা হয়ত রাজ্য পুলিশের ব্যাক অফিসের কোনও কর্মী বা মিডিয়া এজেন্টের কাজ। তবে তার সেই চাকরি থাকা নিয়েও বেশ সন্দিহান অভিনেতা। রুদ্রনীল বলেন, “রাজ্যের  বিরোধী দলের মানুষজনকে পুলিশ দিয়ে হেনস্থা বা বিরক্ত করার নিদানই তো দেওয়া আছে তা সবাই জানে”।

এখানেই শেষ নয়, তাঁর আরও সংযোজন, “যদি কেউ ভাবেন আমায় এসব করে শাসক দলে টানার রাস্তা তৈরী করব। তাঁদের উদ্দেশ্যে আমার একটাই সংলাপ, পেসেন্ট আইসিসিইউতে চলে গেলে আর কমলালেবু কিনে দিয়ে লাভ নেই”।

Related Articles

Back to top button