সব খবর সবার আগে।

সাধারণ রান্নাকে চটজলদি অসাধারণ বানাতে চান? বাড়িতেই ফলান এই পাঁচ হার্বস!

তেল মশলা ছাড়া রান্না অনেকেরই মুখে রোচে না কিন্তু বর্তমানে তেলমশলা দিয়ে রান্না খাওয়ার কোনও প্রশ্নই নেই। কারণ করোনার জেরে এখন সহজপাচ্য ও পুষ্টিকর খাবারই খেতে হবে সবসময়। তবে সাধারণ রান্নাকেও অসাধারণ করে তুলতে পারে এই পাঁচটি হার্বস। আসুন জেনে নেওয়া যাক সেই পাঁচটি হার্বস কী কী।

এই পাঁচটি হার্বসকে আপনি সহজেই নিজের বাড়ির বাগানে বা ছাদে টবের মধ্যে ফলিয়ছ ফেলতে পারবেন। আসুন দেখে নেওয়া যাক এই পাঁচটি হার্বসের তালিকা।

ধনেপাতা:
বাঙালির কাছে ধনেপাতার গুরুত্ব অসীম। ধনেপাতার চাটনি, ধনেপাতা বাটা, ধনেপাতার বড়া, এগুলো আমরা হামেশাই খেয়ে থাকি। এছাড়াও আমরা ঝালমুড়িতেও ধনেপাতা দিই, এমনকি ডালেও আমরা ধনেপাতা কুচি করে দিই। বাজারে ধনের বীজ সহজেই পেয়ে যাবেন, সেই বীজ দুই রাত জলে ভিজিয়ে রেখে মাটিতে বপন করে দেবেন।

কারিপাতা:
মূলত দক্ষিণ ভারতীয় খাবারের অপরিহার্য অঙ্গ হলেও বর্তমানে কারিপাতা এখন বাঙালিরাও খায়। যেকোনো খাবারে কারিপাতা-সর্ষে ফোড়ন দিয়ে খেলে খাবারের স্বাদ অসাধারণ হয়ে যায়। কারিপাতার বীজ যেকোনো দোকানে পেয়ে যাবেন, এনে মাটিতে ছড়িয়ে দিলেই হবে।

বেসিল:
মূলত ইতালিয়ান রান্নাতেই ব্যবহার হয় বেসিল। তবে এটা বাড়ির তুলসি গাছের সমগোত্রীয়। তাই বেসিলের পরিবর্তে আপনি তুলসি পাতা ব্যবহার করতে পারেন। রোজ‌ সকালে তুলসি পাতার রস খেতে পারেন, ঠান্ডা লাগার হাত থেকে বেঁচে যাবেন।

পুদিনা:
পুদিনার সবুজ চাটনি তন্দুরির সঙ্গে খেতে আমাদের খুবই ভালো লাগে। এছাড়াও পুদিনা পাতার জল আমরা ফুচকার তেঁতুল জলের পরিবর্তে ব্যবহার করতে পারি যেটা বাইরের রাজ্যে হয়। বাজার থেকে পুদিনা পাতা কিনে গোড়াগুলো কেটে অল্প জলে এক রাত ভিজিয়ে রাখুন, পরের দিন টবে বা অন্য কোনও ছোট ছড়ানো বাটিতে মাটি রেখে তাতে পুঁতে দিন। পাত্রটা আলোয় রাখুন, দু’বেলা পরিমাণমতো জল দেবেন।

লেমনগ্রাস:
এটি চাইনিজ ঔষধি গাছ হিসাবে পরিচিত। লেমনগ্রাস পাকস্থলির নানা রকম সমস্যা দূর করে। এটি থাই পাতা নামেও পরিচিত। যে কোনও গাছের দোকানেই পেয়ে যাবেন লেমন গ্রাস। আপনি এটি স্যুপে দিতে পারেন। চায়ের সঙ্গে মিশিয়েও খেতে পারেন। টবে এই গাছের চাষ করতে পারেন।

Comments
Loading...