সব খবর সবার আগে।

অতিমারিতে বাড়ছে অবসাদ-আত্মহত্যা, রুখে দাঁড়াতে আজ কলকাতা মাতবে ‘হলুদ-বিপ্লবে’

অবসাদকে (Depression) আগে অতটা গুরুত্ব না দিলেও বর্তমানে করোনা পরিস্থিতিতে মানসিক অবসাদ এবং মেন্টাল হেলথ আগের থেকে অনেকটাই গুরুত্ব পাচ্ছে। সম্প্রতি সেলিব্রিটি জগতে মানসিক অবসাদের কারণে একের পর এক অস্বাভাবিক মৃত্যু বা আত্মহত্যা (Suicide) অবসাদ ও অ্যাংজাইটি নিয়ে মানুষের সচেতনতা অনেকটাই বাড়িয়েছে। তাই আজ বিশ্ব আত্মহত্যা বিরোধী দিবসে (World Suicide Prevention Day) কলকাতায় পালিত হতে চলেছে ‘হলুদ বিপ্লব’।

ভবিষ্যৎ কী হবে, বর্তমান কীভাবে চলবে, এইসব ভাবনায় প্রতিদিন গভীর হতাশার মধ্যে চলে যাচ্ছেন মানুষ। যাদের মধ্যে একটা বড় অংশের বয়স ১৮-৩০ মাত্র। কেউ কাজ পাবেন কিনা ভাবছেন আবার কেউ কাজ হারিয়ে একটা চাকরির আশায় হন্যে হয়ে ঘুরছেন। তাই মুক্তির উপায় হিসেবে অনেকেই আত্মহত্যাকে বেছে নিচ্ছেন। এমতবস্থায় অবসাদমুক্তির জন্য কালার-থেরাপির পরামর্শ দিলেন শহরের মনোবিজ্ঞানী ও সাইকিয়াট্রিস্টরা।

আজ বৃহস্পতিবার হলুদ রঙে নিজেকে রাঙাবে কলকাতা। পালিত হবে ‘গো ইয়েলো কলকাতা ২০২০’ (Go Yellow Kolkata 2020)। তাঁদের পর্যবেক্ষণ, হলুদ আশার প্রতীক। হলুদ পজিটিভিটির চিহ্ন। তাই আজকের দিনের জন্য হলুদ রঙ একদম সঠিক দাওয়াই। বিশ্বে প্রতি বছর ৮ লক্ষ মানুষ আত্মহত্যা (Suicide) করেন। অর্থাৎ প্রতি ৪০ সেকেন্ডে নিজেকে শেষ করছেন একজন।

এই হলুদ বিপ্লব পরিকল্পনার আবিষ্কর্তা ‘লাইফলাইন ইন্ডিয়া’। সংস্থার তরফে প্রতিষ্ঠাতা সুখসাম সিং জানিয়েছেন, ১৮-৪৫ বছর বয়সিরাই সবচেয়ে বেশি ফোন করেন লাইফলাইনে। আগে ফোনে কুড়ি মিনিট লাগলেও এখন কাউন্সেলিং করতে হয় গড়ে চল্লিশ মিনিট করে।

পার্নো মিত্র, সুজয় প্রসাদ চট্টোপাধ্যায়, উষা উত্থুপ এর মতো তারকারাও এই বিপ্লবে আজ সামিল হচ্ছেন। আপনিও বা বাদ যাবেন কেন? নিজেকে হলুদ রঙে রাঙিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তুলুন মানসিক অবসাদ ও আত্মহত্যার বিরুদ্ধে।

You might also like
Leave a Comment