সব খবর সবার আগে।

BREAKING: উৎসবের মরশুমে রাজ্যে প্রায় ৬০% কমছে বিয়ারের দাম! দেখে নিন দামের বিস্তর পার্থক্যের তালিকা

সামনেই দূর্গাপুজা! বাঙালির সবচেয়ে বড় উৎসবকে আর‌ও খানিকটা রঙিন করে দিয়ে রেকর্ড হারে কমছে বিয়ারের দাম। বুধবার পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য বেভারেজ কর্পোরেশন (বেভকো) বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানিয়েছে আসছে সপ্তাহে সমস্ত বিভাগের বিয়ারের দাম কমতে চলেছে।

নির্ধারিত নতুন দামের কাঠামোয় আগের দামের সঙ্গে বর্তমান দামের বিস্তর পার্থক্য রয়েছে। লাইট বিয়ারের দাম ২৫% -৪০% হ্রাস পাবে এবং স্ট্রং বিয়ারের জন্য কমবে ১৫%-২০%। কোন‌ও কোন‌ও ব্রান্ডের বিয়ারের দাম দাম ৬০% হ্রাস পাচ্ছে। যেমন Corona ব্রান্ডের ৩০০ মিলিলিটার বিয়ারের দাম আগে ছিল ৪৫০ টাকা নতুন দামের কাঠামোয় তা কমে দাঁড়াচ্ছে ১৯০ টাকা। অর্থাৎ এক ধাক্কায় দাম ২৬০ টাকা কমে যাচ্ছে। যথাক্রমে Budweiser premium ব্রান্ডের ৬৫০ মিলিলিটার বিয়ার আগে মিলতো ২৫০ টাকায় যার দাম কমে দাঁড়াচ্ছে ১৫৪ টাকা।

একই পর্যায়ে দাম কমছে Carlsberg premium (650ml lager), Carlsberg strong (650ml), Kingfisher premium (650ml lager), Kingfisher strong (650ml) সহ সব বিয়ারের।

তবে কেনও পুজোর মরশুমে এইভাবে কমে যাচ্ছে বিয়ারের দাম?

সূত্রের খবর মূলত বিয়ারের চাহিদা বাড়াতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। করোনা এবং লকডাউনের জেরে ধসে পড়েছে বিয়ার শিল্প। মার্চ থেকে ৩১শে জুলাই পর্যন্ত বিয়ারের চাহিদা বেড়েছিল কিন্তু বিক্রি বন্ধ থাকার কারণে সেই চাহিদার কোনও জোগান দেওয়া যায়নি। মুখ থুবড়ে পরে পুরো ব্যবসাই। ভারতে তৈরি বিদেশি অ্যালকোহল এবং ভারতীয় বিয়ার সংস্থাগুলিকে লোগো এবং ব্র্যান্ডের রেজিস্ট্রেশনের সঙ্গে ex-distillery price (EDP) এবং ex-brewery (EBP) নিবন্ধনের জন্য সেপ্টেম্বরে প্রথম সপ্তাহে দরপত্র জমা দিতে বলেছিল। বছরে, পশ্চিমবঙ্গে হার্ড আইএমএফএল-এর ১৪.১ মিলিয়ন বিক্রি হয় হুইস্কি, রাম, ভদকা এবং ৮ মিলিয়ন (৮০ লাখ) বিয়ার বিক্রি হয়।

beer price

চলতি সালের এপ্রিল থেকে করোনার জেরে হওয়া লকডাউনে অ্যালকোহলের উপর করের খাড়া ঝুলছিল। যার ফলে রাজ্যে আইএমএফএল এবং বিয়ার শিল্পগুলি বড় সঙ্কটের মুখোমুখি হয়েছিল। বিয়ারের বাজারে, গড়ে ৮৫ শতাংশ এরও বেশি হ্রাস পেয়েছিল এবং আইএমএফএল-র বিক্রয়, এপ্রিল-জুলাইয়ের গড় বিক্রি প্রায় ৩০ শতাংশ হ্রাস পায়।

কনফেডারেশন অফ ইন্ডিয়ান অ্যালকোহলিক বেভারেজ কোম্পানির (সিআইএবিসি) সংকলিত আইএমএফএল-এর পরিসংখ্যান দেখিয়েছে যে এপ্রিল মাসে বিক্রি কমেছে ৮৪%, তার পরে মে মাসে ৩৭% এবং জুনে ২৭% ছিল। গত জুলাই ও আগস্টেও এই ধারা অব্যাহত ছিল।

You might also like
Comments
Loading...
Share