সব খবর সবার আগে।

দেশে ৫ জনের শরীরে মিলল ওমিক্রন ভাইরাসের উপস্থিতি, কী কী উপসর্গ রয়েছে আক্রান্তদের? কতটা ঘাতক এই স্ট্রেন?

করোনার নতুন স্ট্রেন ওমিক্রনের জেরে গোটা বিশ্ব সন্ত্রস্ত। ইতিমধ্যেই দেশে ৫ ব্যক্তির শরীরে এই ভাইরাসের উপস্থিতি মিলেছে। এদের মধ্যে দু’জন কর্ণাটকের, একজন দিল্লি, একজন মহারাষ্ট্র ও একজন গুজরাতের বাসিন্দা। কী কী উপসর্গ রয়েছে তাদের শরীরে?

সূত্রের খবর অনুযায়ী, এই পাঁচজনেরই মৃদু উপসর্গ রয়েছে। দিল্লিতে যে ব্যক্তির শরীরে ওমিক্রন ধরা পড়েছে, তাঁর গলা ব্যাথা, শারীরিক দুর্বলতা ও গায়ে-হাত-পায়ে ব্যাথার মতো উপসর্গ রয়েছে। তিনি সম্প্রতি তানজানিয়া থেকে ফিরেছিলেন। আপাতত তিনি দিল্লির লাজপত নগর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। টিকার দুটি ডোজই নিয়েছিলেন তিনি।

প্রথমে যে ব্যক্তি এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছিলেন, তাঁর বয়স ৬৬। তিনি দক্ষিণ আফ্রিকার বাসিন্দা। ইতিমধ্যেই তিনি দেশে ফিরে গিয়েছেন বলে খবর। তাঁর রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। অন্যদিকে, কর্ণাটকের বাসিন্দা যার শরীরে ওমিক্রন মিলেছে, তিনি পেশায় একজন চিকিৎসক। তাঁর কোনও ট্রাভেল হিস্ট্রি যদিও নেই।

মহারাষ্ট্রের ওমিক্রন আক্রান্ত ব্যক্তি পেশায় মেরিন ইঞ্জিনিয়ার। তিনি টিকার কোনও ডোজই নেন নি। অন্যদিকে, গুজরাতের ওমিক্রনে আক্রান্ত ব্যক্তি একজন এনআরআই। তাঁর শরীরের কোনও উপসর্গ নেই। জানা গিয়েছে, এই পাঁচজনেরই কোনও শ্বাসকষ্ট নেই। এমনকি, স্বাদ-গন্ধ চলে যাওয়ার মতোও কোনও উপসর্গ নেই। এদের প্রত্যেকেই সুস্থ রয়েছেন ও চিকিৎসায় সাড়া দিচ্ছেন।

জানা গিয়েছে, এই মুহূর্তে এই ওমিক্রন ভাইরাস ৩৮টি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, এই ভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে মৃত্যুর ঘটনা নেই এখনও পর্যন্ত। সম্প্রতি আমেরিকা ও অস্ট্রেলিয়াতেও এই ভাইরাস ছড়িয়েছে।

হু-এর মতে, এই ভাইরাস কতটা ঘাতক, তা জানতে এখনও কয়েক সপ্তাহ সময় লাগবে। তবে এই ভ্যারিয়েন্ট সংক্রামক হলেও, তাতে আক্রান্ত ব্যক্তিরা উপসর্গহীন বা মৃদু উপসর্গযুক্ত। তাদের অধিকাংশেরই হাসপাতালে যাওয়ার প্রয়োজন পড়ছে না। চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে বাড়িতে ওষুধ খেলে বা প্রাথমিক চিকিৎসা পেলে সুস্থ হচ্ছেন আক্রান্তরা। ওমিক্রন প্রাণনাশক নয়, এমনটাই আশা রাখছেন গবেষকরা। তাদের মতে, প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে যে করোনার এই নতুন স্ট্রেন ওমিক্রন ঘাতক নয়। তবে আরও গবেষণার প্রয়োজন রয়েছে।

You might also like
Comments
Loading...