সব খবর সবার আগে।

নির্মলার ‘সংস্কারী বাজেটকে’ স্বাগত প্রধানমন্ত্রীর, আম জনতার উপর বোঝা চাপায়নি, স্বচ্ছ বাজেটে জোর দিয়েছি! 

কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন আজ লোকসভায় সাধারণ বাজেট পেশ করছেন। এটি মোদী ক্যাবিনেটের নবম বাজেট পেশ।

নির্মলার এই ‘সংস্কারী বাজেটে’ খুব বেশি পরিকাঠামোর রদবদল দেখা যায়নি। আট থেকে আশি এই বাজেটে কতটা খুশি হবে তা বিশেষজ্ঞরাই বেশি বলতে পারবেন, তবে ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর বাজেট প্রশংসা কুড়িয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর! করোনাকালীন পরিস্থিতিতে অর্থনৈতিক মন্দার মাঝেই আজ বাজেট পেশ হয়। ১৯৫২ সালের পরে এই প্রথম এমন মন্দার আবহে বাজেট পেশ হল।

প্রসঙ্গত, এই বারের বাজেটে নজর ছিল আয়কর ছাড়ের দিকে। অর্থনীতিবিদদের একটা বড় অংশ বলেছিল, সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতা বাড়াতে হলে আয়করে ছাড় দিতে হবে। তবে সে ক্ষেত্রে যে রাজকোষে টান পড়ার প্রবল আশঙ্কা থাকত, তা-ও স্বীকার করেছিলেন বিশেষজ্ঞরা। সোমবারের বাজেটে দেখা গেল রাজকোষে আর চাপ না বাড়ানোর সিদ্ধান্তই নিলেন অর্থমন্ত্রী। মধ্যবিত্তরা নয় ছাড় পেলেন শুধুমাত্র প্রবীণরা। তাও সেই ক্ষেত্রে শর্তাবলী প্রযোজ্য। 

তবে, এদিন অর্থমন্ত্রীর ১ ঘণ্টা ৪৮ মিনিটের বক্ততা শেষে বাজেটকে স্বাগত জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এই বাজেটকে সংস্কারমুখী ও সদর্থক বলেই বর্ণনা করেন তিনি।

একইসঙ্গে তিনি জানান এই বাজেট দেশকে আত্মনির্ভর হতেও সাহায্য করবে।

আজকের পেশ করা বাজেটে আমজনতার হাতে বেশি নগদ জোগানোর জন্য কর কাঠামোয় কোনও পরিবর্তনের পথে হাঁটেননি নির্মলা। বরং বাংলা-সহ দেশের কয়েকটি রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনকে নজরে রেখে অতিরিক্ত হিসেবে একাধিক প্রকল্পের ঘোষণা করতে দেখা গেছে  কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীকে।

নির্মলা সংসদে বাজেট  পেশ করতে গিয়ে বলেন গত বছরের শুরুতে  রাজকোষ ঘাটতি ছিল ৩.৫ শতাংশ। সেটা এখন ৯.৬ শতাংশ ধরা হচ্ছে। কারণ করোনাভাইরাস পরিস্থিতির সময় সরকার ভালো কাজে খরচ করেছে। সেইজন্য ঘাটতি করেছে। তবে সেই ঘাটতি আরও কমানোর লক্ষ্য নেওয়া হচ্ছে। এরপরে নিজের ট্যুইটার অ্যাকাউন্টে একটি ভিডিও পোস্ট করতে দেখা যা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে। সেই ভিডিও বার্তায় বাজেটের প্রশংসা করে মোদী বলেন, ‘অভূতপূর্ব পরিস্থিতির মধ্যে ২০২১ সালের বাজেট পেশ করা হয়েছে। তাতে যথাযথ চিন্তাধারা আছে, আর উন্নয়নের বিশ্বাস আছে।’ সঙ্গে যোগ করেন, ‘এরকম বাজেট খুব কমদেখা যায় , যেখানে ঘোষণার এক-দু’ঘণ্টার মধ্যে এত ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া মেলে। অনেক বিশেষজ্ঞ ভেবেছিলেন যে আমজনতার উপর আমরা বোঝা চাপিয়ে দেবে। কিন্তু আমরা স্বচ্ছ বাজেটের উপর জোর দিয়েছি।’

প্রধানমন্ত্রীর কথায়, এই বাজেট পরিকাঠামো ক্ষেত্রে পরিবর্তন আনবে। জনগণের প্রতি দায়িত্বশীল বাজেট।  চাল- ডাল-গম কিনতে দ্বিগুণের বেশি বরাদ্দ হয়েছে। ভাবা হয়েছে কর্মসংস্থানের কথা। আশ্বাস দিয়েছেন  করদাতাদের উপর চাপ যত দূর সম্ভব কমাতে হবে।

_taboola.push({mode:'thumbnails-a', container:'taboola-below-article', placement:'below-article', target_type: 'mix'}); window._taboola = window._taboola || []; _taboola.push({mode:'thumbnails-rr', container:'taboola-below-article-second', placement:'below-article-2nd', target_type: 'mix'});
You might also like
Comments
Loading...