ভাইরাল

‘দুয়ারে বিরিয়ানি’, তাও আবার মাত্র ৬০ টাকায়, একদিনে কত প্লেট বিক্রি হচ্ছে জানলে হতবাক হবেন, আপনিও কিনবেন নাকি?

‘দুয়ারে বিরিয়ানি’। হ্যাঁ ঠিকই পড়ছেন। এবার থেকে দুয়ারেই পৌঁছে যাবে বিরিয়ানি আর তাও মাত্র ৬০ টাকাতেই। যেখানে এক প্লেট বিরিয়ানি বাড়িতে অর্ডার করলে কমপক্ষে ২০০ টাকার নীচে হয় না, সেখানে দাঁড়িয়ে মাত্র ৬০ টাকাতেই মিলবে বাড়ির দুয়ারে বিরিয়ানি।

হাওড়ার শ্যামপুকুরের বাসিন্দা বিধান চক্রবর্তী এমনই এক উদ্যোগ নিয়েছেন। তাঁর তাঁর এই উদ্যোগের জেরে ইতিমধ্যেই দারুণ জনপ্রিয়তা অর্জন করে ফেলেছেন তিনি। কিছুদিনের মধ্যেই ভাইরাল তাঁর এই ‘দুয়ারে বিরিয়ানি’। প্রতিদিন কত প্লেট করে বিরিয়ানি বিক্রি করছেন তিনি জানেন? জানলে আপনিও চমকে যাবেন।  

বাইকের পিছনে বাঁধা লাল রঙের কাপড় জড়ানো বড় হাঁড়ি। সেই বাইক নিয়েই দুয়ারে দুয়ারে বিক্রি পৌঁছে যাচ্ছে বিরিয়ানি। সবথেকে বেশি নজর কেড়েছে তাঁর এই উদ্যোগের নামটা। মানে এতদিন রাজ্য সরকারের নানান প্রকল্পেই এই ‘দুয়ারে’ কথাটি ব্যবহৃত হতে দেখা গিয়েছে। আর এখন সাধারণ মানুষ সেই নাম নিয়ে এমন উদ্যোগ নিলেন।

তাঁর এই উদ্যোগের নাম কী নেহাতই কাকতালীয়? নাকি তিনি কারোর অনুপ্রেরণাতেই এমন নাম দিয়েছেন। এই প্রসঙ্গে এক সংবাদমাধ্যমে বিধান চক্রবর্তী বলেন, ““দিদিভাই (মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়)-এর দেওয়া দুয়ারে সরকার নামটা আমার খুব পছন্দ হয়েছে। তাই আমি দুয়ারে বিরিয়ানি নামটা নেব বলে ঠিক করেছি”।

হোম ডেলিভারির জন্য আলাদা কোনও খরচ নেই। সোজা বাড়ির সামনেই পৌঁছে যাচ্ছে এই বিরিয়ানি। ৬০ টাকায় এই ‘দুয়ারে বিরিয়ানি’তে থাকছে এক পিস চিকেন এবং আলু। কিন্তু এত কম খরচে এই বিরিয়ানি বিক্রিতে কতটা লাভবান হচ্ছেন মালিক। জবাবে বিধানবাবু জানান, “আমার ভালোই বিক্রি হচ্ছে। এতটা সাড়া পাব আশা করিনি”।

বিধানবাবুর কথায়, তাঁর এই বিরিয়ানির চাহিদা এখন তুঙ্গে। চাহিদা অনুযায়ী যোগানই দিতে হিমশিম খাচ্ছেন তিনি। প্রতিদিন ৭০ থেকে ৮০ প্লেট বিরিয়ানি বিক্রি হচ্ছে তাঁর। তবে আপাতত হাওড়ার শ্যামপুকুর এলাকাতেই এই উদ্যোগের সুবিধা মিলবে।

জানা যাচ্ছে, বিধানবাবু আগে রাজস্থানে কাজ করতেন। তিনি জানান সেখানে স্ট্রীট ফুডের দাম অনেক। এর থেকেই তিনি চিন্তা করেন যে সাধারণ মানুষের সাধ্যের মধ্যে কিছু খাবার আনবেন। এরপরই এই ‘দুয়ারে বিরিয়ানি’ প্রকল্প মাথায় আসে তাঁর। বর্তমানে তাঁর স্ত্রীও তাঁকে বিরিয়ানি তৈরি করতে সাহায্য করেন বলে জানান বিধানবাবু।

Related Articles

Back to top button