সব খবর সবার আগে।

রাতের অন্ধকারে বন্দিশিবিরে থাকা মুসলিম মহিলাদের তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করছে চীন, উদ্বেগ প্রকাশ আমেরিকার

ফের একবার চীনে হাড় হিম করা মুসলিম অত্যাচারের ছবি প্রকাশ্যে। কখন‌ও শারিরীক নির্যাতন, কখন‌ও বন্দিদশায় শুয়োরের মাংস খাওয়ানো, আর এখন ধর্ষণ। মাত্রাছাড়াচ্ছে  চীনের অত্যাচার।

বারংবার উইঘুর মুসলিমদের উপর অত্যাচারের জন্য বিশ্বদরবারে মুখ পুড়েছে চীনের, কিন্তু কুছ পরোয়া নেহি।

গতকাল অর্থাৎ বুধবারই বিবিসির তরফে এক রিপোর্টে দাবি করা হয়, রাতের অন্ধকারে বন্দিশিবিরে থাকা মুসলিম মহিলাদের পরিকল্পনা করে ধর্ষণ ও যৌন নির্যাতন চালাচ্ছে চীন প্রশাসন। সেই রিপোর্টকে ঘিরেই এবার চরম উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাইডেনের আমেরিকা। এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসার আগেও শোনা গিয়েছিল, মুসলিম মহিলাদের জোর করে অপারেশন করে বন্ধ্যা করে দেওয়া হচ্ছে কিংবা গর্ভপাত করানো হচ্ছে। ফের সামনে এল এই নির্যাতনের করুণ ও মর্মান্তিক ছবি।

এই পৈশাচিক ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় চীনকে একহাত নিয়ে মার্কিন মুখপাত্রের অভিযোগ, জিনপিংয়ের দেশে নিয়মিতই মানবাধিকারকে খুন করা হচ্ছে। তাঁর কথায়, ” এই ধরনের নৃশংসতা বিবেককে ধাক্কা দেয়।” এর পরিণাম অবশ্যই গুরুতর হবে বলে দাবি করেন তিনি। যদিও ঠিক কেমন পরিণামের কথা বলতে চাইছেন, তা স্পষ্ট করেননি তিনি। তবে আমেরিকা যে চীনের এই নির্যাতনের বিরুদ্ধে সম্মিলিত প্রতিবাদে অংশীদার হবে তা পরিষ্কার করে দিয়েছেন ওই মুখপাত্র।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য আমেরিকার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চীনের উপরে নিষেধাজ্ঞা জারি করার সময়ও এই ইস্যুটি তুলেছিলেন। ট্রাম্প আমলের অনেক অবস্থান থেকে বাইডেন প্রশাসন সরে এলেও উইঘুরদের প্রতি চীনের আগ্রাসনের মতো ইস্যুতে যে তাঁরা প্রাক্তন প্রেসিডেন্টের সিদ্ধান্তের সঙ্গে সহমত তা এদিনের বিবৃতি থেকেই স্পষ্ট।

তবে কমিউনিস্ট শাসিত চীন নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগকে সম্পূর্ণই অস্বীকার করেছে। বেজিংয়ের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র ওয়াং ওয়েনবিন বিবিসির রিপোর্টকে ‘ভিত্তিহীন দাবি’ বলে জানিয়েছেন। তাঁর আরও দাবি, যে সব ব্যক্তির সাক্ষাৎকার ওই রিপোর্টে উল্লিখিত হয়েছে তাঁরা সকলেই ‘অভিনয়’ করে বানিয়ে কথা বলেছেন।

You might also like
Comments
Loading...