সব খবর সবার আগে।

দেওয়ালে ঝুলবেন জিনপিং! সরতে হবে যীশুকে! বাঁচালে প্রেসিডেন্ট বাঁচাবেন। প্রভু যীশু নন। নতুন ফতোয়া চীনের!

তিনিই চীনের প্রভু। তাই যদি বাঁচতে চান তাহলে তারই আরাধনা করুন। খ্রীষ্ট ধর্মাবলম্বীদের এমনই নির্দেশ দিয়েছে চীনা প্রশাসন। আর তাই প্রভু যীশুর ছবি সরিয়ে ছবি টাঙান শি জিনপিংয়ের। আর এবার চীনা সরকারের এমন স্বেচ্ছাচারিতার বিরুদ্ধে গর্জে উঠেছেন সারা বিশ্বে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা খ্রীষ্টানরা। সংখ্যালঘুদের প্রতি চীন চিরকালই অত্যাচারী। সে মুসলমান হোক বা খ্রিষ্টান। সরকারের অত্যাচার, অবিচার এই নতুন নয়। এর আগেও খ্রীষ্টানদের প্রভু যীশু-র ছবি সরিয়ে রাষ্ট্রনেতাদের ছবি টাঙানোর নির্দেশ দিয়েছিল বেজিং প্রশাসন। সেই সময় তা নিয়েও বিশ্বজুড়ে বিস্তর প্রতিবাদ হয়। চীনের সমগ্র জনসংখ্যার দশ শতাংশ খ্রীষ্টান। তাঁদের বেশিরভাগ‌ই দারিদ্র সীমার নিচে বসবাস করেন।

আনহুই, জিয়াংসু, হুবেই ও ঝেজিয়াং প্রদেশের গির্জাগুলোতে রাখা ক্রশ নামিয়ে নষ্ট করে ফেলার নির্দেশ দিয়েছে প্রশাসনিক কর্তারা। এমনকী ওইসব প্রদেশে কারও বাড়িতেও যীশুর ছবি না রাখার নির্দেশ জারি করা হয়েছে। তার বদলে প্রেসিডেন্ট জিন পিং ও চেয়ারম্যান মাও-এর ছবি টাঙানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। একইসঙ্গে অভিযোগ উঠেছে চীনের শাংসি প্রদেশের খ্রীষ্টান ধর্মাবলম্বীদের বাড়ি থেকে যীশুর ছবি সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই অত্যাচারের বিরুদ্ধে ওইসব প্রদেশে খ্রীষ্টানরা একজোট হয়ে চীন সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ শুরু করেছেন। গত শনিবার ও রবিবার আনহুই প্রদেশের একাধিক গীর্জার ক্রশ ভেঙে ফেলা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।

সংখ্যালঘুদের উপর প্রশাসনের এমন অত্যাচারের নিন্দা করেছেন চীনের‌ই বহু মানুষ। এরআগে সংখ্যালঘু উইঘুর মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষদের প্রতি চীন সরকারের অত্যাচারের অভিযোগ উঠেছিল।

_taboola.push({mode:'thumbnails-a', container:'taboola-below-article', placement:'below-article', target_type: 'mix'}); window._taboola = window._taboola || []; _taboola.push({mode:'thumbnails-rr', container:'taboola-below-article-second', placement:'below-article-2nd', target_type: 'mix'});
You might also like
Comments
Loading...
Share