আন্তর্জাতিক

৫০ তম বিজয় দিবসের পরদিনই প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

গতকাল ছিল  ৫০ তম বিজয় দিবস। ১৯৭১ সালে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধে পাকিস্তানের থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভারতীয় সেনার জয়কে প্রত্যেক বছর উদযাপন করা হয় ১৬ ই ডিসেম্বর।

১৯৭১ সালের এই দিনেই ভারতের সঙ্গে লড়াইয়ে পরাজিত হয়ে আমির আবদুল্লা নিয়াজির নেতৃত্বে ৯৩,০০০ পাক সেনা ভারতীয় সেনার কাছে আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হয়। জন্ম হয় বাংলাদেশ রাষ্ট্রের।
ইতিহাস জানায়, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর আর কখনও এত সেনা এক সঙ্গে আত্মসমর্পণ করেনি।
গতকাল বিজয় দিবস পালনের পর আজ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বাংলাদেশের মুখ্যমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে একটি ভার্চুয়াল বৈঠকে বসেন। করোনা-পরবর্তী এই যুগে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও বোঝাপড়া বৃদ্ধি নিয়ে তাঁদের আলোচনা হয়।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ২০১৯-এর অক্টোবরে শেষ  ভারত সফরে আসেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। করোনা পরিস্থিতিতেও বাংলাদেশের পাশে সদা দাঁড়িয়েছে ভারত।‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌মোদী-হাসিনা‌‌ও নিয়মিত সম্পর্ক রেখেছেন। এ বছরের মার্চে মুজিব বর্ষ উপলক্ষ্যে ভারতের প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে  একটি ভিডিও বার্তাও দেন। জানা গিয়েছে, পরিবহণ ও সংযোগ সংক্রান্ত ক্ষেত্রে ভারত ও বাংলাদেশ বোঝাপড়া আরও বাড়ানোর চেষ্টা করছে, যাতে ১৯৬৫-র আগে ভারত ও তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের মধ্যে যে ৬টি  যোগাযোগ ব্যবস্থা ছিল, সেগুলি আবার চালু করা যায়। হলদিবাড়ি-চিলাহাটি রেল সংযোগ শুরু করার মাধ্যমে ৬টির মধ্যে ৫টি ইতিমধ্যেই চালু করা গিয়েছে।
হলদিবাড়ি-চিলাহাটি ছাড়াও ভারত-বাংলাদেশের অন্য চারটি সংযোগ ব্যবস্থা হল পেট্রাপোল (ভারত)- বেনাপোল (বাংলাদেশ), গেদে (ভারত)- দর্শনা (বাংলাদেশ), সিংহবাদ (ভারত)- রোহনপুর (বাংলাদেশ) এবং রাধিকাপুর (ভারত)- বিরল (বাংলাদেশ)। কলকাতা-শিলিগুড়িকে বাংলাদেশের মাধ্যমে যুক্ত করেছিল হলদিবাড়ি-চিলাহাটি ব্রডগেজ রেল যোগাযোগ। কিন্তু ১৯৬৫-র যুদ্ধ সব রেল সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়। হলদিবাড়ি-চিলাহাটি রুট বাংলাদেশ ও অসম-পশ্চিমবঙ্গের যোগাযোগ বৃদ্ধি করবে। 

Related Articles

Back to top button