সব খবর সবার আগে।

মোদীকে খুন করার পরিকল্পনার জন্য পাকিস্তানে তৈরী স্পেশাল স্কোয়াড। চাঞ্চল্যকর তথ্য।

0 0

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

এবারে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে খুনের পরিকল্পনা শুরু করেছে পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই। সম্প্রতি ভারতীয় গোয়েন্দা সূত্রে উঠে এসেছে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য। মোদীকে খুনের পরিকল্পনায় আইএসআই এর সঙ্গে হাতে হাত মিলিয়ে কাজে নেমেছে পাক মদতপুষ্ট জঙ্গি সংগঠন জইশ – ই – মহম্মদ। ইতিমধ্যেই আইএসআই এর এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে জইশ জঙ্গি সংগঠন একটি স্পেশাল স্কোয়াড তৈরী করেছে বলে খবর। সেই স্পেশাল স্কোয়াডকে ট্রেনিংও দেওয়া হচ্ছে পাকিস্তানের মাটিতেই৷

শুধু প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীই নন, এদের খুনের পরিকল্পনার তালিকায় রয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালে। গোয়েন্দাদের মতে এই তিন ব্যাক্তিই জম্মু কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা বিলোপে সক্রিয় ভূমিকা নিয়েছেন, তাই এদেরকেই তালিকার শুরুতে রেখেছে জঙ্গি সংঠনগুলো। ইতিমধ্যেই তাই নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আধিকারিকেরা এই তিন জনের সুরক্ষা আরও কড়া করতে উদ্যত হয়েছে। তবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এনএসজি স্তরের সুরক্ষা নিতে অস্বীকার করেছেন৷ শুধু ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থাই নয় আরও এক বিদেশী গোয়েন্দা সংস্থার হাতেও উঠে এসেছে একটি রিপোর্ট। জানা যাচ্ছে যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে খুনের পরিকল্পনা করতে কিছুদিন আগেই জইশ এর এক নেতা শামসের ওয়ানি এক রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেছে। সেই বৈঠকের কিছু লিখিত তথ্যও উঠে এসেছে সেই বিদেশী গোয়েন্দা সংস্থার হাতে। তাতে তাঁরা মনে করছেন যে আগামী এক দু মাসের মধ্যেই নরেন্দ্র মোদীর ওপর হামলা চালাতে পারে পাক মদতপুষ্ট এই জঙ্গি সংগঠন।

পাকিস্তান থেকে ৩৭০ ধারা বিলোপের পর একের পর এক প্রাণনাশের হুমকি পেয়েছেন নরেন্দ্র মোদী এবং অমিত শাহ। দেশের নানান জায়গায় হামলার ছক কষেছে জঙ্গিরা। ইতিমধ্যেই তাই হাই অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে জম্মু, অমৃতসর, পাঠানকোট, কানপুর, গান্ধীনগর, জয়পুর প্রভৃতি শহরগুলোতে। কিছুদিন আগেই পাক অধিকৃত কাশ্মীরের একটি জনসভা থেকে প্রকাশ্যে নরেন্দ্র মোদীকে খুনের হুমকি দিয়েছে মুম্বাই হামলার মূল চক্রী হাফিজ সৈয়দের অন্যতম হাত তথা জঙ্গি নেতা মৌলানা বসির আহমেদ খাকি৷ একসঙ্গে এতো খুনের হুমকি এবং একাধিক গোয়েন্দা সংস্থার একই ধরণের রিপোর্টকে তাই যথেষ্টই গুরুত্ব দিচ্ছেন নিরাপত্তা আধিকারিকরা। তার জেরেই স্থানে স্থানে বাড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে নিরাপত্তার।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

Leave A Reply

Your email address will not be published.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More