সব খবর সবার আগে।

খুনের আশঙ্কা সত্যি করেই নিজের অ্যাপার্টমেন্টেই উদ্ধার হল করোনা গবেষকের মৃতদেহ!

প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসের প্রতিষেধক আবিষ্কার এর লক্ষ্যে প্রতিটি দেশই এখন নিরন্তর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। অক্লান্ত পরিশ্রম করছেন গবেষকেরা। আর এই পরিস্থিতিতেই অস্বাভাবিক ভাবে মৃত্যু হল এক করোনা গবেষকের। যা নিয়ে তোলপাড় এখন বিশ্বজুড়ে। ঘটনাস্থল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। তবে ওই গবেষক জন্মসূত্রে চিনা নাগরিক বলেই খবর পাওয়া গিয়েছে।

পিটার্সবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে করোনা ভাইরাস নিয়ে গবেষণা করছিলেন ৩৭ বছরের তরুণ গবেষক বিং লিউ। তিনি দাবি করেছিলেন, করোনা ভাইরাসের প্রকৃতি ও সংক্রমণের ব্যাপারে অনেক তথ্যই তিনি উদ্ধার করতে পেরেছেন। তাঁর এই দাবির পর‌ই ‘রোজ টাউনশিপ’-এ নিজের অ্যাপার্টমেন্টেই মৃত অবস্থায় পাওয়া গেল এই তরুণ গবেষককে। বিজ্ঞানীর শরীরে গুলির চিহ্ন পাওয়া গেছে। তাঁর মাথা, ঘাড় ও বুকে গুলি লেগেছিল। বিং-এর অ্যাপার্টমেন্টের সামনে পার্কিং করে রাখা একটি গাড়ির ভিতর আরেকজনের মৃতদেহও পাওয়া গিয়েছে। সেই ব্যক্তির নাম গাউ গু, বয়স ৪৬ বছর। অনুমান গাউ গু’ই ওই গবেষককে গুলি করে হত্যার পর নিজেও আত্মহত্যা করেছেন।

গোটা ঘটনায় ক্রমেই ঘনীভূত হচ্ছে রহস্য। গাউ গবেষককে খুন করে আত্মঘাতী হয়েছেন নাকি তৃতীয় কোনও ব্যক্তি তাকে দিয়ে খুন করিয়ে, প্রমাণ লোপাটের জন্য দ্বিতীয় জনকেও খতম করেছে, তা নিয়ে এখন ধন্দে পুলিশ। আবার করোনা গবেষকের আত্মহত্যার সম্ভাবনাও সম্পূর্ণ খারিজ‌ করা যাচ্ছে না। যদিও পুলিশ দাবি করছে, বিং-কে পরিকল্পিতভাবে খুন করা হয়েছে। তবে এখনই এই ব্যাপারে বিস্তারিত কিছু জানাতে চায়নি মার্কিন পুলিশ।

এদিকে জানা যাচ্ছে, নিজের মৃত্যুর আশঙ্কা নাকি আগে থেকেই করেছিলেন বিং লিউ।গবেষণায় সাফল্য পাওয়ার পরই তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন, কেউ বা কারা তাঁকে মেরে ফেলতে পারে যে কোনওদিন! শেষমেশ তাঁর করা আশঙ্কাই সত্যি হল। পিটার্সবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন বিভাগে শিক্ষকতা করতেন বিং লিউ। করোনা ভাইরাসের প্রকৃতি ও সংক্রমণের ধরন নিয়ে গবেষণা করছিলেন তিনি। কিন্তু গবেষণার কাজ সম্পূর্ণ হওয়ার আগেই রহস্যমৃত্যু হল তাঁর।

_taboola.push({mode:'thumbnails-a', container:'taboola-below-article', placement:'below-article', target_type: 'mix'}); window._taboola = window._taboola || []; _taboola.push({mode:'thumbnails-rr', container:'taboola-below-article-second', placement:'below-article-2nd', target_type: 'mix'});
You might also like
Comments
Loading...
Share