আন্তর্জাতিক

পুতিনের নিশানায় এবার জেলেনস্কি! ইউক্রেন প্রেসিডেন্টকে হত্যার ভার দেওয়া হল বিশেষ প্রশিক্ষিত রাশিয়ান ভাড়াটে বাহিনীকে

রাশিয়া ইউক্রেন আক্রমণ করার পর থেকেই সেদেশে শুধু ধ্বংসের চিত্র দেখা গিয়েছে। চরম আতঙ্কে ইউক্রেনবাসী। তবে প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির আবেদনে সাড়া দিয়ে অসংখ্য ইউক্রেনবাসী যুদ্ধে নেমেছেন। রাশিয়ার আগ্রাসনের বিরুদ্ধে প্রাণপণ লড়ছেন তারা।

এর আগে নিজের প্রাণ সংশয়ের আশঙ্কা করেছিলেন জেলেনস্কি। আমেরিকার প্রস্তান উপেক্ষা করে দেশে থেকে লড়াইয়ে নেতৃত্ব দিচ্ছেন তিনি। এর ফলে রাশিয়ার পথে বড় কাঁটা হলেন জেলেনস্কি। তাই তাঁকে যদি সরিয়ে দেওয়া যায়, তাহলে ইউক্রেনবাসীর মনোবল ভেঙে কিয়েভ জয় করা বিশেষ কঠিন কাজ হবে না রাশিয়ার পক্ষে। এবার ডেইলি মেইল-এর একটি প্রতিবেদন সেই আশঙ্কাকেই যেন সত্যি করল।

ওই প্রতিবেদনে লেখা বলা হয়েছে যে বিশেষভাবে প্রশিক্ষিত ৪০০ জনের রাশিয়ান ভাড়াটে বাহিনীকে আফ্রিকা থেকে নিয়ে আসা হয়েছে। অভিযোগ খোদ রাশিয়ান প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ‘ওয়াগনার গ্রুপ’-কে জ়েলেনস্কিকে হত্যার নির্দেশ দিয়েছেন।

এই প্রতিবেদনে দাবী করা হয়েছে যে এই বিশেষ বাহিনী কোনও সরকারি সংগঠন না হলেও রাশিয়ান প্রেসিডেন্টের সঙ্গে অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রয়েছে। এরা মূলত ভাড়াটে সৈন্য হিসেবে কাজ করে বলে জানা গিয়েছে। ওয়াগনার গ্রুপকে পুতিন ঘনিষ্ঠ অলিগার্চ ইয়েভজেনি প্রিগোজিন নিয়ন্ত্রণ করে। উচ্চমানের প্রশিক্ষিত এই বিশেষ বাহিনীকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে এবং সবুজ সঙ্কেতের জন্য অপেক্ষা করার কথা বলা হয়েছে। জেলেনস্কির পাশাপাশি তাদের হত্যা করার তালিক্য নাম রয়েছে ইউক্রেনের প্রধানমন্ত্রী, সম্পূর্ণ মন্ত্রিসভা, কিয়েভের মেয়র কিভ ভিটালি ক্লিটসকোও।

এই প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই খবর গত শনিবার ইউক্রেনের শীর্ষ স্তরে পৌঁছয়। আর এরপরই হত্যার পরিকল্পনা স্থগিত করে রাশিয়া। এই কারণেই কিয়েভে ৩৬ ঘণ্টার কঠোর কার্ফু ঘোষণা করা হয়। ইউক্রেনবাসীদের সতর্ক করে বলা হয় যে কার্ফুর সময় যদি কাউকে বাইরে দেখা যায়, তাহলে তাদের শত্রু বলে ভাবা হতে পারে। এই বিশেষ ভাড়াটে বাহিনী যে জেলেনস্কির প্রাণের ঝুঁকি আরও বাড়াল, তা বলাই বাহুল্য।

Related Articles

Back to top button