সব খবর সবার আগে।

চীনের প্রতি ‘পক্ষপাতদুষ্ট’ WHO-র সঙ্গে সম্পুর্ণভাবে সম্পর্ক ছেদ আমেরিকার

নিজের হুঁশিয়ারিকে এবার বাস্তবে পরিণত করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সত্যিই এবার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) সঙ্গে সমস্ত রকম যোগাযোগ ছিন্ন করলেন ট্রাম্প। করোনা ভাইরাস মোকাবিলা নিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরেই চাপানউতোর চলছিল আমেরিকার। করোনা নিয়ে চীনের প্রতি পক্ষপাতিত্ব করছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, মূলত এই ব্যাপারে ক্ষিপ্ত ছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে কি কারনে স্বাস্থ্য সংস্থার সঙ্গে আমেরিকার সম্পর্ক ছিন্ন করল তা নিয়ে কোনও বিশদ ব্যাখ্যা দেননি ট্রাম্প।

সাংবাদিক বৈঠকে তিনি বলেন, ‘যেহেতু ওরা অনুরোধ করা এবং অতি প্রয়োজনীয় সংস্কারে ব্যর্থ হয়েছে, সেজন্য আমরা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সঙ্গে আমাদের সম্পর্কে ছেদ টানছি।’

বিশ্বের সর্বোচ্চ স্বাস্থ্য নিয়ামক সংস্থাকে বার্ষিক যে ৪৫০ মিলিয়ন ডলার অনুদান দিত ওয়াশিংটন, তা বিশ্বের অন্যান্য প্রতিষ্ঠান এবং জরুরি জনস্বাস্থ্য বিষয়ক প্রয়োজনীয়তার ক্ষেত্রে ব্যয় করা হবে বলে জানিয়েছেন ট্রাম্প।

তবে ১৯৪৮ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং আমেরিকার যে সম্পর্ক শুরু হয়েছিল, তা যে শেষ হতে চলেছে তার আভাস বিশ্ববাসী অনেকদিন আগেই পেয়েছিল। করোনা মহামারি রুখতে ‘ব্যর্থ’ হওয়ায় গত ১৪ এপ্রিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বার্ষিক অনুদানও বন্ধ করে দেন ট্রাম্প।

এরইমধ্যে গত সপ্তাহে বিশ্বের সর্বোচ্চ স্বাস্থ্য নিয়ামক সংস্থাকে চার পাতার একটি চিঠি লিখে জানান, সেখানে কী কী সংস্কার প্রয়োজন। একটি বিস্তারিত তালিকা তুলে ধরেন তিনি। পাশাপাশি কড়া সুরে বলেন, ‘সংস্থার পক্ষে সামনে এগিয়ে যাওয়ার একমাত্র উপায় হল, যদি তা সত্যিই চিনের থেকে স্বাধীনতা ঘোষণা করতে পারে।’ এছাড়াও করোনা মোকাবিলায় কীভাবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ব্যর্থ হয়েছে, তারও বিস্তারিত খতিয়ান তুলে ধরেন। সেই চিঠির উত্তর দেওয়ার জন্য ৩০ দিনের সময় বেঁধে দিয়েছিলেন ট্রাম্প। তবে তার আগেই বিশ্বের স্বাস্থ্য নিয়ামক সংস্থার সঙ্গে সম্পর্ক ছেদের পথে হাঁটল ওয়াশিংটন।

You might also like
Leave a Comment