সব খবর সবার আগে।

ঠাকুর দেখতে গিয়ে শ্লীলতাহানির শিকার তরুণী, কাঠগড়ায় উত্তর কলকাতার এক পুজোমণ্ডপ, অভিযোগ অস্বীকার ক্লাবের

ঠাকুর দেখতে গিয়ে শ্লীলতাহানির শিকার হলেন এক তরুণী। কাঠগড়ায় তুললেন ক্লাব সদ্যদেরই। এই নিয়ে ফুলবাগান থানায় লিখিত অভিযোগও দায়ের করেছেন ওই তরুণী। কিন্তু ওই ক্লাব কর্তৃপক্ষের তরফে এই অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। শুধু তাই-ই নয়, ক্লাব কর্তৃপক্ষ থানায় পাল্টা অভিযোগ করেছে বলেও জানা গিয়েছে।

সূত্রের খবর অনুযায়ী, গত বৃহস্পতিবার অর্থাৎ নবমীর দিন রাতে এক যুবক, তাঁর ভাই ও ভাইয়ের বান্ধবী পুজো দেখতে যান কাঁকুড়গাছি যুবকবৃন্দতে। অভিযোগ, মণ্ডপের কাছেই ওই তরুণী শ্লীলতাহানির শিকার হন। এই ঘটনায় ক্লাব সদস্যদেরই দায়ী করেছেন তিনি।

যুবক অভিযোগ করেন যে ঠাকুর দেখতে বেরিয়ে যদি এভাবে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতে হয়, তাহলে তো মণ্ডপে যাওয়াই যাবে না। এই বিষয়ে গতকাল, শনিবার ফুলবাগান থানায় অভিযোগ দায়ের করেন ওই তরুণী।

এদিকে এই সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে ক্লাব কর্তৃপক্ষ। ক্লাবের এক পুজো উদ্যোক্তা অর্পণ ভট্টাচার্য পাল্টা অভিযোগ করে বলেন যে ওই তিনজনই মদ্যপ অবস্থায় ছিলেন। তাছাড়া, স্বেচ্ছাসেবকের ভূমিকায় ছিল ক্লাবের বাচ্চারা। তাই শ্লীলতাহানির অভিযোগ ভিত্তিহীন।

তিনি এও বলেন পুজো মণ্ডপে পুলিশ মোতায়েন ছিল। শ্লীলতাহানির ঘটনা ঘটলে তা পুলিশের চোখে পড়ত। কিন্তু এরকম কিছু শোনা যায় নি। তিনি আরও অভিযোগ করেন যে ফ্ল্যাট কেনা নিয়ে ওই এলাকায় দুই গোষ্ঠীর মধ্যে বচসা চলছে দীর্ঘদিন ধরে। পুজোর মধ্যে তারই বহিঃপ্রকাশ ঘটে। অকারণে পুজোর নাম টেনে আনা হচ্ছে বলে দাবী অর্পণবাবুর।

এর পাশাপাশি, নিজেদের সমস্যার কথা তুলে ধরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, কলকাতা পুলিশ এবং ফোরাম ফর দুর্গোৎসবের উদ্দেশে ফেসবুকে একটি পোস্টও করেছে কাঁকুড়গাছি যুবকবৃন্দ। তারা অভিযোগ করেন যে ষষ্ঠীর রাত থেকে আশপাশের এলাকার কিছু দুষ্কৃতী তাদের পুজো প্রাঙ্গনে ক্রমাগত আক্রমণ করছে।

তারা এও জানান যে পুজো মণ্ডপের ব্যানার, হোর্ডিং ভেঙে ফেলা হচ্ছে। দর্শনার্থীদের উত্যক্তও করা হয়েছে। মদ্যপ অবস্থায় পুজো প্রাঙ্গনে অসভ্যতা করা হয়েছে। এমনকী পুজোর শেষের রাতে অন্ধকারে প্যান্ডেল এবং প্রতিমা লক্ষ্য করে ইট, কাচের বোতলও ছোঁড়া হয়। এর জেরে মণ্ডপের অনেকাংশ ও প্রতিমার কিছু অঙ্গ ভেঙেও গিয়েছে। কাঁকুড়গাছি যুবকবৃন্দের তরফে পুলিশ-প্রশাসনের কাছে এই ঘটনার সুবিচার চাওয়া হয়েছে।

You might also like
Comments
Loading...