সব খবর সবার আগে।

দুর্গাপুজো মণ্ডপে রাজনৈতিক রঙ, এনআরসি, পরিযায়ী শ্রমিকদের যন্ত্রণার কাহিনী তুলে ধরল বেহালা বরিশা ক্লাব

দমদম পার্কের ভারতচক্র পুজো কমিটি এই বছর তাদের মণ্ডপের থিম রেখেছিলেন লখিমপুর থেকে শুরু করে সিংঘু বর্ডারে কৃষক আন্দোলনের চিত্র। যা নিয়ে ইতিমধ্যেই যথেষ্ট বিতর্ক শুরু হয়েছে। এবার ফের রাজনৈতিক ছোঁয়া লাগল কলকাতার আরও এক পুজো মণ্ডপে।

এবছর বেহালার বরিশা ক্লাবের পুজোর থিম হল ‘ভাগের মা’। তাদের এই মণ্ডপে ফুটে উঠেছে এনআরসি থেকে শুরু করে পরিযায়ী শ্রমিকদের যন্ত্রণার কাহিনী-সহ নানান বিষয়। এর পাশাপাশি এই মণ্ডপে দেখানো হয়েছে শরণার্থী সমস্যার বিষয়টিও।

বরিশা ক্লাবের দুর্গাপূজো অনুষ্ঠানের আয়োজক দেবপ্রশাদ বসু এই বিষয়ে সংবাদ সংস্থা এএনআইকে বলেন, “প্যান্ডেলটি দুটি ভাগে বিভক্ত। বাঁদিকে বাংলাদেশ সীমানা এবং ডান দিক ভারতীয় সীমানা। মাঝখানে, একটি বিশাল খাঁচার মতো কাঠামো স্থাপন করা হয়েছে, যেখানে দেখা যাচ্ছে যে একজন মহিলা তার বাচ্চাদের সাথে দেবী দুর্গার মূর্তি বহন করছেন”।

বলে রাখি, দমদম পার্ক ভারতচক্র পুজো কমিটি লখিমপুরের খেড়ি থেকে সিংঘু পর্যন্ত কৃষক আন্দোলনেরন দৃশ্য ফুটিয়ে তোলে পুজোর মণ্ডপে। জুতো দিয়ে পুজো মণ্ডপ সাজিয়েছে তারা।

আর এই নিয়ে শুরু হয় নানান বিতর্ক। বিজেপির তরফে দাবী তোলা হয় যে এই পুজো কমিটি ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত এনেছে। এই পুজো কমিটিকে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে এক আইনজীবীর তরফে। এই পুজো উদ্যোক্তা দের কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যাতে অবিলম্বে মণ্ডপ থেকে জুতো সরিয়ে নেওয়া হয়।, তা না হলে আইনি নোটিশ পাঠানো আইনজীবী কড়া ব্যবস্থা নেবেন বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

এই পুজো মণ্ডপে

যোগী আদিত্যনাথের রাজ্যে উত্তপ্ত লখিমপুর খেরি–কাণ্ড নিয়ে নানান পোস্টার লাগানো হয়েছে। এইসব পোস্টারে কোনটাতে লেখা— ‘লখিমপুর খেরির পাশে দাঁড়ান’। আবার কোনটাতে লেখা রয়েছে, ‘লখিমপুর খেরি, তোমায় ভুলছি না’।

You might also like
Comments
Loading...