কলকাতা

রক্ষকই যখন ভক্ষক! চরম কলঙ্ক তিলোত্তমার গায়ে, সাহায্য চেয়ে বিধাননগর পুলিশের শ্লীলতাহানির শিকার তরুণী

রাস্তাঘাটে কোনও বিপদে পড়লে প্রথমেই কোনও পুলিশ বা রাস্তায় থাকা ট্রাফিক পুলিশের কাছে সাহায্য চাওয়ার কথা আমাদের মাথায় আসে। কিন্তু সেই রক্ষাকর্তা যদি নিজেই শয়তানের বেশ ধরে আমাদের ক্ষতি করে, তখন? এমনই এক পরিস্থিতির শিকার হলেন আসানসোলের বছর পঁচিশের এক তরুণী।

বেশ বিপদের মুখে পড়েই পুলিশের কাছে সাহায্যের আর্তি করেন ওই তরুণী। কিন্তু সেই পুলিশের কাছেই তাঁকে শ্লীলতাহানির শিকার হতে হয়। সল্টলেকের এমন ঘটনায় মুখ পুড়েছে শহর কলকাতার। তরুণীর এই অভিযোগ পাওয়ার পর সিভিক ভলান্টিয়ার অভিষেক মালাকার ও এএসআই সন্দীপ কুমার পালকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

ঠিক কী ঘটেছিল?

তরুণীর কথায়, সল্টলেক করুণাময়ী থেকে উল্টোডাঙা যাওয়ার জন্য বাস বা অটো কিছুই পাচ্ছিলেন না তিনি। অনেকক্ষণ দাঁড়ানোর পর বাইকে করে বিধাননগর পুলিশের এক কর্মীকে যেতে দেখে লিফট চান তরুণী। সেই বাইকে এক সিভিক ভলান্টিয়ারও ছিলেন।

কিন্তু তরুণীকে গন্তব্যে না পৌঁছে রাস্তায় এখানে ওখানে ঘোরাতে থাকে সেই পুলিশ কর্মী। শ্লীলতাহানি করা হয় ওই তরুণীকে। তিনি জানান রুবির মোড়ে পৌঁছে তিনি তাঁর এক বন্ধুকে ফোন করে ডাকেন। সব কথা জানান ট্রাফিক পুলিশকে। এরপরই সোজা চলে যান কসবা থানায়।

সেখানে তরুণীর অভিযোগ পাওয়ার পরই পদক্ষেপ নেয় কসবা থানার পুলিশ। অভিযোগকারিণী তরুণী ও তাঁর বন্ধুকে নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। ওই দুই অভিযুক্তের বিরুদ্ধে বিধাননগর নর্থ থানায় ফের অভিযোগ দায়ের করা হয়।

পুলিশ সূত্রের খবর, অভিযুক্ত ওই পুলিশকর্মী বিধাননগর কমিশনারেট ট্রাফিক বিভাগের এএসআই। তাঁকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। আর ওই সিভিক ভলান্টিয়ারকে কাজ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। আজ, সোমবার এদের দুজনকেই আদালতে তোলা হবে ও পুলিশ হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানানো হবে বলে জানা গিয়েছে।

Related Articles

Back to top button