কলকাতা

‘কলার ধরে বের করে দিচ্ছে পুলিশ, তৃণমূলের ছাপ্পা ভোট দিতে সুবিধা হবে’, বিজেপি প্রার্থীর অভিযোগে উত্তপ্ত বাগবাজার

রাজ্য নির্বাচন কমিশনের তরফে আদালতে দাবী করা হয়েছিল যে শান্তিপূর্ণভাবেই ভোট হবে শহরে। কিন্তু এদিন ভোট শুরু হতেই দেখা গেল, নানান বুথ থেকে নানান অভিযোগ উঠে আসছে। কোথাও বোমাবাজি, কোথাও কোনও দলের পোস্টার, ব্যানার ছেঁড়া, এমন নানান অভিযোগের কথা শোনা গিয়েছে। এরই মধ্যে উত্তেজনার খবর এলো বাগবাজার থেকে। সেখানে নির্দল প্রার্থীকে বুথ থেকে বের করে দেওয়ার ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থলে রয়েছে পুলিশ। এমনকি বিজেপি প্রার্থীর সঙ্গে পুলিশের ধ্বস্তাধস্তির খবর ওঠে।

৭ নম্বর ওয়ার্ডে নির্দল প্রার্থী হলেন রূপা চৌধুরী। জানা গিয়েছে, এদিন তিনি নিজেই পোলিং এজেন্ট হয়ে বুথে গিয়ে বসেন। তাঁকে বুথ থেকে বের করে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। ঘটনাস্থলে আসেন বিজেপি প্রার্থী ব্রজেশ ঝাঁ।

তিনি দাবী করেন যে তৃণমূল ছাপ্পা ভোট দিতে পারবে না বলে অন্যান্য দলের এজেন্টকে বের করে দিচ্ছে। ওই বুথের প্রিসাইডিং অফিসা বলেন যে তিনি নিয়ম জানতেন না বলে রূপা চৌধুরীকে বসতে দিয়েছিলেন। পরে তাঁকে বের করে দেওয়া হয়। একজন প্রার্থীকে এজেন্ট হিসেবে কেন বসতে দেওয়া হল না, এ নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়।

ঘটনাস্থলে পৌঁছন শ্যামপুকুর থানার ওসি। কোনওভাবে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া হয়। তবে বিজেপি প্রার্থীর দাবী, পুলিশ অন্যান্য দলের প্রার্থীদের কলার ধরে বের করে দিচ্ছে। বিজেপি প্রার্থী ব্রজেশ ঝাঁ প্রশ্ন তুলেছেন যে পুরভোট কেন শান্তিপূর্ণভাবে হবে না? তাঁর দাবী, তৃণমূল যাতে ছাপ্পা ভোট দিতে পারে,এই কারণেই তাদের বের করে দেওয়া হচ্ছে।

তৃণমূলের তরফে এই ওয়ার্ডে প্রার্থী হয়েছেন বিজেপিত্যাগী প্রাক্তন কাউন্সিলর বাপি ঘোষ। তিনি এ দিন যান ঘটনাস্থলে। বিজেপির তরফে এই ওয়ার্ডে লড়ছেন ব্রজেশ ঝা ও সিপিএমের তরফে এই ওয়ার্ডে লড়ছেন মোহন তাপস কুণ্ডু।

অন্যদিকে, জোড়াবাগানে তৃণমূলের হাতে হেনস্থা হওয়ার অভিযোগ তুলেছেন ২২ নম্বর ওয়ার্ডের বিজেপি প্রার্থী মীনাদেবী পুরোহিত। তাঁর পোশাক ছিড়ে দেওয়ারও অভিযোগ উঠেছে। মীনাদেবী পুরোহিত বলেন, “মারামারি করেছে, ধাক্কাধাক্কি করেছে, গুন্ডা নিয়ে এসেছে। ভোটই করতে দিচ্ছে না। হেনস্থা করছে। শাড়ি খুলে দিয়েছে, ব্লাউজ ছিড়ে দিয়েছে। অন্যদের ধাক্কাধাক্কি করছে। সকাল থেকে বুথ জ্যাম করে দিয়েছে। ভোট করতে দিচ্ছে না”।

Related Articles

Back to top button