সব খবর সবার আগে।

আরামবাগে সাংবাদিক গ্রেফতারির প্রতিবাদে কালো ব্যাজ পরে প্রেসক্লাবের সামনে বিক্ষোভ বিজেপির

যেভাবে গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভের উপর রাজ্য সরকার আঘাত হানছে তা নিন্দনীয়, এই অভিযোগ তুলে এবার তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানাল বিজেপি। আরামবাগ টিভির সম্পাদক সফিকুল ইসলাম ও সাংবাদিক সুরজ আলি খানকে রবিবার ভোরবেলা গেরিলা কায়দায় গ্রেফতার করেছে রাজ্য পুলিশ। এই গ্রেফতারির প্রতিবাদে গতকাল কলকাতা প্রেস ক্লাবের সামনে প্রতিবাদে বিক্ষোভ দেখায় বিজেপি।

আর আজ বৃহস্পতিবার কলকাতা প্রেস ক্লাবের সামনে কালো ব্যাজ পরে গ্রেফতার হওয়া সাংবাদিকদের পাশে থাকার বার্তা দেন বিজেপি নেতাকর্মীরা। গোটা কর্মসূচীর নেতৃত্ব দেন বিষ্ণুপুরের সাংসদ ও বিজেপি যুব মোর্চা নেতা সৌমিত্র খাঁ।

এই কর্মসূচী পালনের সময় কলকাতা পুলিশ যথারীতি বাঁধা দেয়। বিজেপি যুব মোর্চার সভাপতি সৌমিত্র খাঁ বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে গণতন্ত্র হরণ করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পুলিশের তোলাবাজির খবর চাপতেই ভুয়ো মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে ২ জন সাংবাদিককে।”

প্রসঙ্গত, গত রবিবার ভোরবেলা আরামবাগ টিভির সম্পাদক সফিকুল ইসলামকে গ্রেফতার করে রাজ্য পুলিশ। সেই ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় রীতিমত ভাইরাল হয়েছে। সাধারণ মানুষ প্রশ্ন তুলেছেন যে, যেরকম তৎপরতার সঙ্গে পুরো বাড়ি ঘিরে বাড়ির ছাদে মই বেয়ে উঠে একজন সাংবাদিককে গ্রেফতার করা হল, সেই সঙ্গে তার স্ত্রী ও সন্তানদের আটক করল পুলিশ সেই একই তৎপরতা কি পুলিশ অন্যান্য দুষ্কৃতীদের ধরতে দেখায়?

বিরোধীদের অভিযোগ, রাজ্য সরকারের দুর্নীতি প্রকাশ্যে নিয়ে আসার জন্যই এরকম হিটলারি আচরণ করছে মমতা সরকারের পুলিশ। গত এপ্রিলে আরামবাগ থানা থেকে ক্লাবগুলিকে টাকা বিলির খবরটি প্রথম সম্প্রচার করেছিল এই চ্যানেলটি। তারপরই তৃণমূলের রোষে পড়ে এই চ্যানেলটি। এর পর আরামবাগ থানার তোলাবাজির খবরও সম্প্রচার করে আরামবাগ টিভি। ইতিমধ্যেই ২টি মামলায় কলকাতা হাইকোর্ট থেকে জামিন পেয়েছেন সফিকুল ইসলাম।

কিন্তু রবিবার তাকে যে মামলাটির কারণে গ্রেফতার করা হয়েছে তার নাকি দায়ের করা হয়েছিল গ্রেফতারির কয়েক ঘণ্টা আগেই! আদালতে যাওয়ার সুযোগটুকু তাঁকে দেওয়া হয়নি। বিরোধীরা বলছেন, পুলিশের এই অতি তৎপরতাই তাঁদের অভিযোগের মান্যতা দিচ্ছে।

You might also like
Leave a Comment