সব খবর সবার আগে।

CoronaVirus: করোনার থাবা উত্তরবঙ্গেও, রাজ্যে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ১৮

রাজ্যে করোনার আতঙ্ক বেড়েই চলেছে। আর এবার রাজ্যে এক ধাক্কায় সংক্রমন বেড়ে দাঁড়াল ১৮। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে কলকাতার নয়াবাদের এক বাসিন্দার বৃদ্ধের দেহে করোনাভাইরাসের অস্তিত্ব পাওয়ার পর পঞ্চসায়রের বেসরকারি হাসপাতালে তাকে ভর্তি করা হয়েছিল। জানা গেছে, পরিবার নিয়ে সেই ব্যক্তি এগরায় এক আত্মীয়ের ছেলের বিয়েতে গিয়েছিলেন। সেই আত্মীয়ের স্ত্রী (৫৬) এবং পিসির (৭৬) দেহেও ভাইরাসের অস্তিত্ব মিলেছে। নাইসেড সূত্রে খবর, এ দিনের তৃতীয় আক্রান্ত উত্তরবঙ্গের বাসিন্দা এক মধ্যবয়সি মহিলা।

ওই বেসরকারি হাসপাতালের প্রশাসনিক কর্তা জানিয়েছেন, বৃদ্ধের শারীরিক অবস্থার আর অবনতি হয়নি। তবে তার ফুসফুস এখনও সঠিকভাবে কাজ করছে না তাই তাঁকে ভেন্টিলেটরে রাখতে হয়েছে।

গত ১৩ই মার্চ ভায়রাভাইয়ের ছেলের বিয়েতে যোগ দিতে স্ত্রী, পুত্র, পুত্রবধূ এবং নাতনিকে নিয়ে এগরা গিয়েছিলেন ওই বৃদ্ধ। আমন্ত্রিতদের তালিকায় উপস্থিত ছিলেন আমেরিকা এবং সিঙ্গাপুরের প্রবাসী আত্মীয়েরাও। এখনও পর্যন্ত কার বা কাদের সংস্পর্শে এসে সংক্রমন ঘটল তা জানা যায়নি। এছাড়া নতুন দুই আক্রান্তের ইতিহাস জানার চেষ্টা করছে স্বাস্থ্য দফতর।

দুই আক্রান্তের মধ্যে ভায়রাভাইয়ের পিসি আবার নরেন্দ্রপুরের বাসিন্দা। গতকাল বৃদ্ধের ভায়রাভাইয়ের স্ত্রী এবং পিসিকে কলকাতায় আনা হয়। কলকাতার এম আর বাঙুরে তাদের নমুনা পরীক্ষাও করানো হয়েছে।

নাইসেড সূত্রে খবর, উত্তরবঙ্গের যে বাসিন্দার শরীরে করোনার অস্তিত্ব মিলেছে তিনি চেন্নাই থেকে কিছুদিন আগে ফিরেছেন। কালিম্পংয়ের বাসিন্দার রাজ্যে ফেরার পর প্রবল শ্বাসকষ্ট শুরু হয়। এরপর তাঁকে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজের মেডিসিন বিভাগে ভর্তি করা হয়। তবে এখনও পর্যন্ত উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজে নমুনা সংগ্রহের প্রক্রিয়া শুরু হয়নি। সে কারণে গতকাল মহিলার নমুনা পরীক্ষার জন্য নাইসেডে পাঠানো হয়। রিপোর্টে করোনা-পজ়িটিভ ধরা পড়ে।

অন্য আক্রান্তদের নিরিখে উত্তরবঙ্গের ঘটনা কিছুটা আলাদা। বাকিদের ক্ষেত্রে যে-ভাবে করোনা উপসর্গ ধরা পড়ছে, এ ক্ষেত্রে তা ঘটেনি। স্বাস্থ্য অধিকর্তা অজয় চক্রবর্তী জানান, করোনা-নজরদারির অঙ্গ হিসেবে ‘সিভিয়র অ্যাকিউট রেসপিরেটরি ইলনেস’ নামে কর্মসূচি চলছে। যেখানে দেখা হচ্ছে সরকারি বা বেসরকারি স্তরে কোনও রোগী শ্বাসকষ্টে ভুগছেন কিনা? কিন্তু সেই অসুস্থতার কারণ কী তা বোঝা যাচ্ছে না। এ ক্ষেত্রে ওই রোগীর নমুনাও সংগ্রহ করে পরীক্ষা করা হয়েছে। সেই সূত্রেই মহিলার দেহে ‘কোভিড ১৯’-এর অস্তিত্ব মিলেছে।

You might also like
Comments
Loading...