সব খবর সবার আগে।

২০১৫-তে হোস্টেলের ঘরে গ্যাস লিক করে মারা যান ছাত্রী, সেই ঘটনায় ৬৪ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণের নির্দেশ সংস্থাকে

জলপাইগুড়ি ছেড়ে কলকাতায় পড়তে এসে হোস্টেলে দমবন্ধ হয়ে মারা গেছিলেন এক কলেজ ছাত্রী, নাম সুমন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়। ঘটনাটি ঘটেছিল ২০১৫ সালে। সেই ঘটনার মামলার রায়ে দিল গ্রিন ট্রাইব্যুনাল। ওই ঘটনায় অভিযুক্ত হিসেবে গ্রেটার গ্যাস সাপ্লাই কর্পোরেশনকে ৬৪ লক্ষ টাকা দেওয়ার নির্দেশ দিল গ্রিন ট্রাইব্যুনাল। এক মাসের মধ্যে এই ক্ষতিপূরণের টাকা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

কলেজ পড়ুয়া সুমন্তিকা ছিলেন জলপাইগুড়ির বাসিন্দা। উচ্চমাধ্যমিক পাশ করে তিনি কলকাতায় আসেন প্রেসিডেন্সিতে ভর্তি হতে। কিন্তু ২০১৫-র এপ্রিল মাসে ঘটে গেল এক ভয়াবহ দুর্ঘটনা। হস্টেলের বদ্ধ ঘরে দমবন্ধ হয়ে প্রাণ হারালেন সুমন্তিকা। পাশাপাশি ঘরের মধ্যে থেকে অচৈতন্য অবস্থায় উদ্ধার করা হয় তাঁর বান্ধবীকে।

এই ভয়াবহ ঘটনার পর পুলিশ তদন্তে নামে। ঘটনাস্থলে আসে ফরেন্সিক টিমও। ওই দুর্ঘটনাস্থল থেকে নমুনা সংগ্রহ করে ফরেন্সিক এক্সপার্ট টিম। এরপর সমস্ত পরীক্ষা নিরীক্ষা করে বিশেষজ্ঞ কমিটি জানান, হস্টেলের বন্ধ ঘরে গ্যাস লিক করার কারণেই ওই ছাত্রী জ্ঞান হারান। যার মধ্যে সুমন্তিকার মৃত্যু হয়। তাই এই ঘটনায় গ্রেটার গ্যাস সাপ্লাই কর্পোরেশনকে দোষী সাব্যস্ত করে শুরু হয় মামলা।

২০১৫ থেকে ২০২০। ৫ বছর ধরে চলে এই মামলা। শেষ অবধি সাক্ষ্য প্রমান খতিয়ে দেখে, পক্ষ বিপক্ষ বিবেচনা করে, ৫ বছর পর মামলার রায় প্রকাশ করল গ্রিন ট্রাইব্যুনাল। গ্রিন ট্রাইব্যুনাল জানিয়েছে, কলেজছাত্রী সুমন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যুর জন্য দায়ী গ্রেটার গ্যাস সাপ্লাই কর্পোরেশন। তাই ক্ষতিপূরণ বাবদ ওই সংস্থাকে ৬৪ লক্ষ টাকা জমা দিতে হবে। তা আগামী এক মাসের মধ্যেই দিতে হবে বলে নির্দেশ দিয়েছে গ্রিন ট্রাইব্যুনাল।

You might also like
Leave a Comment