সব খবর সবার আগে।

বিচারব্যবস্থাতেও রাজনীতি তৃণমূলের, শাসকদলের একাংশের হস্তক্ষেপেই ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির এজলাস বয়কটের সিদ্ধান্ত আইনজীবীদের

কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি রাজেশ বিন্দালকে নিয়ে অসন্তোষ ক্রমে বেড়েই চলেছে। আগেই তাঁর ভূমিকা নিয়ে সরব হয়েছিলেন বিচারপতি সব্যসাচী ভট্টাচার্য ও বিচারপতি অরিন্দম সিনহা। এব আর আরও বেশ কিছু আইনজীবী ক্ষোভ প্রকাশ করতে শুরু করেছেন। আর এসবই হচ্ছে তৃণমূলের কলকাঠিতে, এমনটাই ধারণা বিশেষজ্ঞ মহলের। এভাবে বিচারব্যবস্থার মধ্যে রাজনীতি নিয়ে আসা যে গণতন্ত্রের অপমান, এ নিয়েও তোপ দাগা হয়েছে।

এই আইনজীবীদের অনেকেরই দাবী, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই মামলার ঘর বদল হাইকোর্টের নিয়ম মেনে হচ্ছে না। এই বিষয়ে আলোচনা করার জন্য বার অ্যাসোসিয়েশনের ভাইস প্রেসিডেন্টকে চিঠি দেওয়া হয়। কিন্তু সেই চিঠিতে কোনও কাজ হয়নি বলেই জানা গিয়েছে। এই কারণে গতকাল, বুধবার হাইকোর্টের বেশ কিছু বর্ষীয়ান আইনজীবী ভারচুয়ালি একটি বৈঠক করেন।

আরও পড়ুন- ‘অমিত শাহ্’র পদত্যাগ চাই’, পেগাসাস ইস্যু নিয়ে এবার রাজপথে বিক্ষোভ দেখাবে কংগ্রেস

সূত্রের খবর অনুযায়ী, বার অ্যাসোসিয়েশনকে দূরে রেখেই ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির কর্মকাণ্ডের বিরোধিতা করে হাইকোর্টের বর্ষীয়ান আইনজীবীদের একাংশ এই বৈঠকের সিদ্ধান্ত নেন। এই বৈঠকে স্থির করা হয়, প্রথম চিঠিতে কাজ হয়নি, তাই আজ, বৃহস্পতিবার ফের একবার চিঠি দেওয়া হবে।

এই দ্বিতীয় চিঠিতে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আইনজীবীদের নিয়ে বৈঠক করার সুপারিশ জানানো হবে বলেও জানা গিয়েছে। কিন্তু এরপরও যদি কোনও সাড়া না মেলে, তাহলে আগামীকাল, শুক্রবার এই আইনজীবীরা ফের বৈঠকে বসবেন। এর পাশাপাশি তারা ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতিকে একটি স্মারকলিপি জমা দেবেন, যাতে আবেদন জানানো হবে তিনি যাতে সঠিক বিধি মেনে কাজ করেন। আপাতত এমনই পদক্ষেপ নেওয়ার সিদ্ধান্তই নেওয়া হয়েছে।

সূত্রের খবর অনুযায়ী, বুধবারের সেই বৈঠকে হাজির ছিলেন বর্ষীয়ান আইনজীবী অরুণাভ ঘোষও। বৈঠকে তিনি জানান, তারা ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির কাছে বিধি মেনে কাজ করার বিষয়ে আবেদন জানাবেন। কিন্তু তিনি যদি সে বিষয়ে আমল না দেন, তাহলে আগামী মঙ্গলবার থেকে আইনজীবীরা তাঁর এজলাস বয়কট করতে বাধ্য হবে।

You might also like
Comments
Loading...