সব খবর সবার আগে।

জোড়াবাগান হত্যাকাণ্ডে চিহ্নিত অপরাধী! মোবাইল থেকে মিলল একাধিক জুভেনাইল পর্ণোগ্রাফির ভিডিও

জোড়া বাগানে নারকীয় হত্যাকাণ্ডের কিনারা করে ফেলল পুলিশ। মিলল গা শিউরে ওঠার মতো তথ্য‌। এই পৈশাচিক হত্যাকাণ্ডের পেছনে জড়িত খোদ বাড়ির দারোয়ান। জেরায় খুনের কথা স্বীকার করেছে ওই বাড়ির কেয়ারটেকার। ওই ব্যক্তির কথায় অসঙ্গতি মেলায় পুলিশের সন্দেহ প্রথম থেকেই ছিল ওই কেয়ারটেকারের উপরে। অবশেষে ঘটনায় পর্দা ফাঁস।

ঠিক কী ঘটেছিল ওইদিন?

সময়টা বুধবার সন্ধে সাড়ে ৭টা। মাদক দ্রব্য এবং বিরিয়ানির প্যাকেট নিয়ে ৯বি বৈষ্ণব শেঠ ফার্স্ট লেনের বাড়িতে ঢুকেছিলেন ওই বাড়ির কেয়ারটেকর। পৌনে ৮টা নাগাদ মদ্যপান শুরু করেন তিনি। মোবাইলে থাকা ১২টি জুভেনাইল পর্ণোগ্রাফির দেখতে দেখতেই মদ্যপানের মাত্রা বৃদ্ধি পায়। সেই সময়ে ওই বাড়ির দোতলার সিঁড়ির কাছে বেশ কিছু শিশুর কণ্ঠস্বর শুনতে পেয়েই উঠে যায়।

এরপর ৯ বছরের ওই বালিকাকে খাবারের লোভ দেখিয়ে ঘরে নিয়ে আসে অভিযুক্ত, সেখানেই চিপস আর বিরিয়ানি খাওয়ায় ওই নাবালিকাকে।

পুলিশের অনুমান ওই খাবারের সঙ্গেই মাদক মিশিয়ে শিশুটিকে অচৈতন্য করা হয়। এরপর তাকে নিয়ে ছাদে নিয়ে যায় ওই কেয়ারটেকর। সেখানেই শিশুটির ওপর চলে যৌন নির্যাতন করেন। এরপর ওই নাবালিকার কিছুটা চেতনা ফিরতেই সে বাঁচার চেষ্টা চালায়। আর এতেই ভয় পেয়ে সংযম ফিরতেই প্রমাণ লোপাটের চেষ্ঠা শুরু করে অভিযুক্ত কেয়ারটেকার। নিজেকে বাঁচাতে নাবালিকার মুখে ঘুষি মারে। এতেই আক্রান্তের সামনের ওপরের পাটির চারটি দাঁত ভেঙে যায় তার। মাথার চুলের মুঠি করে ধরে গলা টিপে ধরেন। এতেই মৃত্যু হয় শিশুটির। এরপর মৃত্যু নিশ্চিত করতে গলায় ছুরি চালায় ওই কেয়ারটেকর।

ময়নাতদন্তের রিপোর্টে‌ও পরিষ্কার হয়েছে ঘটনা। মৃতের পাকস্থলিতে বিরিয়ানি এবং চিপসের উপস্থিতি মিলেছে। যোনিতে পাওয়া গেছে পেনিট্রেশনের চিহ্ন।

You might also like
Comments
Loading...