সব খবর সবার আগে।

করোনা আবহে নয়া অবতারে সামনে আসছে কলকাতা মেট্রো, সিটে আঁটা থাকবে স্টিকার

সমস্ত গণপরিবহন ব্যবস্থা জুন মাসের ১ তারিখ থেকে খুলে দিলেও লোকাল ট্রেন ও মেট্রোরেল নিয়ে এখনও পর্যন্ত কোনো মন্তব্য করেনি কেন্দ্রীয় সরকার। তাই বলে হাত পা গুটিয়ে নিশ্চিন্তে বসে থাকতে রাজি নন কলকাতা মেট্রো রেল কর্তৃপক্ষ। আগাম প্রস্তুতি নিয়ে রাখলেন তারা যাতে মেট্রোরেল খুললে সাধারণ যাত্রীদের কোন ভোগান্তির সম্মুখীন না হতে হয়।

দিল্লি মেট্রোর আদলে যাত্রীদের সিটে স্টিকার সাঁটাবে মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ। স্টিকারের উপরেই বসতে হবে যাত্রীদের। ট্রেনের কামরায় যেখানে যাত্রীরা বসবেন এবং দাঁড়াবেন, নির্দিষ্ট দূরত্ব মেনে সেখানে স্টিকার আটকে দেওয়া হবে মেট্রোর তরফে। সেই স্টিকার দেখেই তোলা হবে যাত্রীদের। স্টিকারের উপরেই বসতে হবে তাদের। সোমবার মেট্রো কর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের পর এমনটাই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন জেনারেল ম্যানেজার মনোজ যোশী। শুধু ট্রেনের কামরা নয়, স্টেশনে ঢোকার গেটে, টিকিট কাউন্টার, প্ল্যাটফর্মে দাঁড়ানোর জায়গা সবই নির্দিষ্ট দূরত্ব মেনে চিহ্নিত করতে বলা হয়েছে।

মেট্রো সূত্রে খবর, ট্রেনের কামরা ভর্তি হয়ে গেলে স্টেশনে ঢোকার মুখেই আটকে দেওয়া হবে যাত্রীদের। নির্দিষ্ট সংখ্যক যাত্রী কামরায় ভরে গেলে বন্ধ করে দেওয়া হবে স্টেশনে ঢোকার মূল গেটের সাটার। ট্রেন ধরতে আসা বাকি যাত্রীদের সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে দাঁড়াতে বলা হবে স্টেশনের বাইরেই।

এছাড়াও ঠিক করা হয়েছে যে, প্রত্যেক যাত্রীর মাস্ক পরে স্টেশনে ঢোকা বাধ্যতামূলক। স্টেশনে প্রবেশের আগে সকলের থার্মাল স্ক্যানিং হবে। শরীরের তাপমাত্রা বেশি প্রমাণিত হলে সেই যাত্রীকে আর স্টেশনে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। সামাজিক দূরত্ব মেনে প্ল্যাটফর্ম এবং টিকিট কাউন্টারের বাইরে হলুদ দাগ দিয়েই যাত্রীদের দাঁড়ানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এক মিটার অন্তর দাঁড়াতে হবে তাঁদের।

মেট্রো সূত্রে খবর, স্টেশনে থাকা কর্তব্যরত আরপিএফ কর্মীরা প্রত্যেকেই পিপিই পরে কাজ করবেন। কর্মীদের হাতে গ্লাভস থাকবে। যাত্রীদের সঙ্গে হাত মেলানো ও সংস্পর্শে আসার উপর জারি করা হয়েছে নিষেধাজ্ঞা।

You might also like
Leave a Comment