সব খবর সবার আগে।

শহরের বুকে লকডাউনের নিস্তব্ধতা ভেদ করল এক তীব্র গুলির শব্দ, আহত যুবক

করোনার কবল থেকে মানুষকে বাঁচাতে সচেষ্ট প্রশাসন। অন্যদিকে এই প্রচেষ্টার মধ্যেই শহরে চলল গুলি। লকডাউনের মধ্যেই ভরদুপুরে গুলির শব্দে কেঁপে রবীন্দ্র সরোবর থানা এলাকা। ঘটনায় আহত হয়েছেন একজন।

প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে, ২ নম্বর লেক ক্যাম্পের কাছে একটি ফাঁকা জায়গায় মদ্যপান করছিলেন কয়েকজন যুবক। ওই সময়ে কোনও বিষয় নিয়ে নিজেদের মধ্যে বাকবিতন্ডা শুরু হয়। এরপরই টিঙ্কু শীল ওরফে পুচকে এবং জয় দাস নামে দুই যুবকের সঙ্গে হাতাহাতি শুরু হয়ে যায় পিন্টু দাস নামে এক ব্যক্তির। তাঁরা সকলেই ৪৪সি শরৎ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের বাসিন্দা। হাতাহাতির মধ্যেই হঠাৎ পুচকে একটি দেশি সিঙ্গল শটার বন্দুক বার করে গুলি চালিয়ে দেন।আহত হন পিন্টু। গুলি লাগে তার পায়ে।

নিস্তব্ধতার মাঝে গুলির শব্দে কেঁপে ওঠে এলাকা। বেরিয়ে আসেন এলাকার মানুষ। তাঁরাই পুলিশে খবর দেন। আহতকে প্রথমে এমআর বাঙুর হাসপাতালে এবং পরে এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। হাসপাতাল সূত্রে খবর, পিন্টুর অবস্থা স্থিতিশীল। পুলিশ গ্রেফতার করেছে পুচকে এবং তাঁর সঙ্গী জয়কে। উদ্ধার করা হয়েছে আগ্নেয়াস্ত্রটিও। পুলিশ সূত্রে খবর, পুচকে, পিন্টু এবং জয়— প্রত্যেকেই এলাকার নামকরা দুষ্কৃতী।

এই ঘটনার পরেই পুলিশ এলাকায় আরো কড়া নজরদারি চালাচ্ছে। লালবাজার সূত্রে খবর, গোয়েন্দা বিভাগের গুন্ডাদমন শাখাকে শহরের বেআইনি মদ বিক্রেতাদের উপর নজরদারি করতে বলা হয়েছে। মদ এবং অন্যান্য মাদক এর কালোবাজারী রুখতে এই পদক্ষেপ।পাশাপাশি এলাকার দুষ্কৃতীদের উপরেও নজরদারি বাড়াতে বলা হয়েছে থানাকে।

রাজ্য ও কেন্দ্র সরকার মানুষকে বাঁচাতে ২১ দিন লকডাউনের নির্দেশ দিয়েছেন। কিন্তু এখানে তো মানুষ নিজেরাই নিজেদের শত্রু। তারা একে অপরকে মারতে উদ্যত। দুপুরের লকডাউনের নিস্তব্ধতাকে কাজে লাগিয়েই তারা এমন কাজ করেছে বলে মনে করছে স্থানীয় বাসিন্দারা।

You might also like
Leave a Comment