সব খবর সবার আগে।

করোনায় মৃত দমদমের প্রৌঢ়ের পুরো পরিবার ফিরেছিলেন ইতালি থেকে, জানালেন মুখ্যমন্ত্রী

গোষ্ঠী সংক্রমণ শুরু হয়নি কলকাতায়। সোমবার বিকালে নবান্নে সর্বদলীয় বৈঠকে এমনই জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দমদমের করোনা আক্রান্ত সোমবার দুপুরে মারা যান। তাঁর বিদেশ যাওয়া বা বিদেশ থেকে ফেরার কোনো প্রমাণ ছিল কি ছিল না তা নিয়ে গত কয়েকদিনে বিস্তর ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু এদিন করোনা প্রতিরোধে ডাকা নবান্নে সর্বদলীয় বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়ে দিলেন, ওই প্রৌঢ় এবং তাঁর পরিবার ইতালি থেকে ফিরেছিলেন।

সোমবার যখন সর্বদলীয় বৈঠকে বাম পরিষদীয় দলনেতা সুজন চক্রবর্তী বলা শেষ করেন এবং সিপিএম রাজ্য সম্পাদক সূর্যকান্ত মিশ্র বলতে যান তখন এসএমএস আসে মুখ্যমন্ত্রীর ফোনে। তারপরেই তিনি বলেন, আমার কাছে এই মাত্র খবর এল, সল্টলেকে দমদমের যে ভদ্রলোক ভর্তি ছিলেন, তিনি মারা গিয়েছেন। সুজন চক্রবর্তীর “কে মারা গেছে?” প্রশ্নের জবাবে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “দমদমের যে পরিবারটা কয়েকদিন আগে ইতালি থেকে ফিরেছিল। ওই পরিবারের যিনি ভর্তি ছিলেন। উনিও ইতালি থেকে ফিরেছিলেন।”

ইতিমধ্যেই গুঞ্জন উঠেছিল যে ওই ব্যক্তির পরিবারের এক সদস্য ইতালি থেকে সম্প্রতি এসেছিলেন। তবে পরিবারের তরফ সে কথার সত্যতা স্বীকার করা হয়নি। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী এদিন স্পষ্ট জানালেন, ইতালি যোগ ছিল ওই পরিবারের। গত ১৩ মার্চ থেকে শুকনো কাশি নিয়ে ভুগছিলেন দমদমের ওই ব্যক্তি। তার পর কাশি ও শ্বাসকষ্ট বাড়তে থাকায় তাঁকে সল্টলেকের বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ১৯ মার্চ শ্বাসকষ্ট বেড়ে এমনই হয় যে তাঁকে ভেন্টিলেটরে রাখতে হয়। পরে তাঁর লালারসের নমুনা পরীক্ষার জন্য নাইসেড এবং এসএসকেএম হাসপাতালে পাঠানো। তাতেই পজিটিভ রেজাল্ট ধরা পড়ে। সোমবার দুপুরে তাঁর মৃত্যু হয়।

প্রথমে জানা গিয়েছিল বিদেশ যোগ ছাড়াই করোনা আক্রান্ত হন এই প্রৌঢ়। সকলে ভয় পেয়ে যান, তাহলে কি বাংলাতে করোনার কমিউনিটি ট্রান্সমিশন বা গোষ্ঠী সংক্রমণ শুরু হয়ে গেল? কিন্তু এদিন মুখ্যমন্ত্রীর তরফে স্পষ্ট জানানো হল , করোনা আক্রান্ত পরিবার ইতালি থেকে ফিরেছিলেন।

You might also like
Leave a Comment