সব খবর সবার আগে।

মমতার বাড়ির এলাকার ওয়ার্ডের জলে বিষক্রিয়া, মৃত ১, অসুস্থ শতাধিক

ভবানীপুর বিধানসভার ৭৩ নম্বর ওয়ার্ডের পানীয় জলে বিষক্রিয়া। এই জল পান করে মৃত্যু হল ই এলাকারই এক বাসিন্দার। ইতিমধ্যেই অসুস্থ হয়ে পড়েছেন শতাধিক মানুষ। ওই ওয়ার্ডেরই বাসিন্দা খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই ঘটনায় আতঙ্কিত স্থানীয়রা। ঘটনায় গোটা এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে পাওয়া খবর অনুযায়ী, কলকাতা পুরসভার ৭৩ নম্বর ওয়ার্ডের শ্রমিক আবাসনে দুটি জলের ট্যাঙ্ক আছে। সেই দুটি ট্যাঙ্কের জলই পানীয় জল হিসেবে ব্যবহার করেন বাসিন্দারা। এই ট্যাঙ্কের জল খেয়েই গত কয়েকদিনে অসুস্থ হয়ে পড়েন বেশ কিছু স্থানীয়।

আরও পড়ুন- দল সম্মান দেয়নি, মমতার জন্য মঞ্চে নেচেছি, রাগে, ক্ষোভে তৃণমূল ছাড়লেন তারকা নেত্রী

সূত্রের খবর অনুযায়ী, সজ্জন নামের এক ব্যক্তি ওই জল খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন। এর জেরে  তাঁকে শম্ভুনাথ পণ্ডিত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কিন্তু সেখান থেকে তাঁকে পার্কসার্কাসের হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে খবর।

আবাসনের বাসিন্দাদের অভিযোগ, এই ট্যাঙ্ক দুটি দীর্ঘদিন ধরে পরিষ্কার করা হয় না। এই ট্যাঙ্কে নর্দমার নোংরা জল মিশছে বলেও অভিযোগ। এর জেরেই জলে  বিষক্রিয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন- মুখ্যমন্ত্রীর নামে মামলা, মমতার প্রার্থীপদ বাতিল?

এই ঘটনার পর টনক নড়ে পুরসভার। মৃত্যুর খবর পেয়েই ট্যাঙ্ক পরিষ্কার করতে আসে। এই ট্যাঙ্কের জল ব্যবহার করতে নিষেধও করা হয়েছে। এছাড়াও, এই আবাসনের বাইরে দুটি পানীয় জলের ট্যাঙ্ক বসানোর প্রতিশ্রুতিও দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

এই ঘটনায় ৭৩ নং ওয়ার্ডের বিদায়ী কাউন্সিলর রতন মালাকার জানান যে জল থেকেই ওই ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু, ট্যাঙ্কের জলে বিষক্রিয়ার কথা স্বীকার করতে চান নি তিনি। এদিকে, কলকাতা পুরসভার বাম মুখ্য সচেতক চয়ন ভট্টাচার্য বলেন, “শহরের নানা জায়গায় এই ঘটনা ঘটছে। আমার ওয়ার্ড ১১১ ও বিক্ষিপ্ত জায়গায় এমন হয়েছে। পুরো প্রশাসন এই জলের পুরনো পাইপ গুলো নিয়ে চিন্তিত নয়। কে কারণে মানুষ দুর্ভোগে পড়েছে”।

You might also like
Comments
Loading...