সব খবর সবার আগে।

ওঁকে রাজনীতি করতে দেওয়া ভুল হল, আক্ষেপ সোমেন-পত্নীর

৩ নম্বর লোয়ার রডন স্ট্রিটের ফ্ল্যাটে আজ জন সমাগম। কিন্তু অত ভিড়ের মাঝেও আজ শ্মশানের নিস্তব্ধতা। বাড়ির বড় কর্তাই আজ চলে গেছেন। বৃহস্পতিবার দক্ষিণ কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতালে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় কংগ্রেসের দুঁদে নেতা সোমেন মিত্রের। মৃত‍্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৮।

কংগ্রেসের এই ডাকাবুকো এই প্রবীন নেতার প্রয়াণে শোকজ্ঞাপন করেছেন কংগ্রেস সভানেত্রী সনিয়া গাঁধী। ট্যুইটে শোকপ্রকাশ করেছেন রাহুল গাঁধী ও প্রিয়ঙ্কা গাঁধী বঢরাও। বিরোধ ভুলে শোকজ্ঞাপন করে ট্যুইট করেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা সোমেন মিত্রের একসময়ের ‘সতীর্থ’ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বঙ্গ বিজেপির প্রধান দিলীপ ঘোষ। রাজ্যের জোটপন্থী নেতার প্রয়াণে ব্যথিত বাম শিবিরও।

আজ আবেগ বিহ্বল দেখায় সোমেন মিত্রের স্ত্রী তথা প্রাক্তন বিধায়ক শিখা মিত্রকে। সোমেনের চলে যাওয়ায় শিখা কার্যত আক্ষেপের সুরেই বলেন, ওঁকে ফের রাজনীতি করতে দেওয়াই ভুল হল! এক‌ই সঙ্গে মৃদু গলায় দলের প্রতিও ‘ক্ষোভ’-ও উগড়ে দেন সোমেন-পত্নী। শিখা মিত্র বলেন, “দাদা নিজেও জানতেন না তাঁকে প্রেসিডেন্ট করা হবে। সংবাদমাধ্যমেই প্রথম শুনেছিলাম। খুব খুশি হয়েছিলাম। ওঁ রাজনীতি করতে ভালবাসতেন। নিজে পদ চাননি। শুধুমাত্র সেকারণেই সনিয়া গাঁধীকে ধন্যবাদ জানিয়েছিলাম। ছেলে বলেছিল, মাম্মি বুয়াকে আর রাজনীতি করতে দিও না। এখন, মনে হচ্ছে সেটাই বড় ভুল হল”।

সোমেন মিত্রের স্ত্রীয়ের আর‌ও বক্তব্য, সম্প্রতি রাজ্যের কিছু নেতাদের কথায় কষ্ট পেয়েছিলেন তিনি। তাঁদের কথা সহ্য করতে পারেননি। চাপ বেড়ে গিয়েছিল। হয়ত রাজনীতিতে না ‘ফিরলে’ এই চাপটা হত না, আক্ষেপ তাঁর।

You might also like
Leave a Comment