সব খবর সবার আগে।

সায়েন্স সিটিতে উদ্বোধন হল সুপারবাগস্ঃ অ্যান্টিবায়োটিকের সমাপ্তি প্রদর্শনীর, উদ্যোগে ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিক্যাল রিসার্চ

আজ, মঙ্গলবার ভারত সরকারের জাতীয় বিজ্ঞানের চেয়ারম্যান, জাতীয় বায়োমেডিক্যাল জিনোমিক ইনস্টিটিউট, কল্যাণী এমেরিটাসের অধ্যাপক প্রোফেসর পার্থ পি মজুমদার কলকাতার সায়েন্স সিটিতে “সুপারবাগস্ঃ অ্যান্টিবায়োটিকের সমাপ্তি প্রদর্শনীর উদ্বোধন করলেন। লন্ডনের বিজ্ঞান জাদুঘর গ্রুপ-এর সহযোগিতায় ও আইসিএমআর সমর্থিত ন্যাশানাল কাউন্সিল অফ মেডিক্যাল সায়েন্স মিউজিয়ামের উদ্যোগে এই প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে। কীভাবে সমাজ অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স ও অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল রেজিস্ট্যান্সের প্রতি বিপুলভাবে সাড়া দিচ্ছে ও সুপারবাগসগুলির বিরুদ্ধে কীভাবে বিশ্বজুড়ে মানুষ লড়াই করে চলেছে, তা দেখানো হয়েছে।

এদিন প্রদীপ জ্বালানো অনুষ্ঠানের পর সায়েন্স সিটির পরিচালক শুভ্রবত চৌধুরী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ও ভার্চুয়াল মাধ্যমে উপস্থিত অতিথিদের স্বাগত জানিয়ে বলেন, “ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ব্যাকটেরিয়া যারা আমাদের শরীরে রোগের সৃষ্টি করে, তারাই অ্যান্টিবায়োটিকের বিরুদ্ধে প্রতিরোধী হয়ে উঠছে। কিন্তু এই অ্যান্টিবায়োটিকই আমাদের শরীরের শক্তিশালী অস্ত্র, তা এখন সুপারবাগস্‌-এ পরিণত হচ্ছে। এই সুপারবাগস্‌ এক বছরে সাত লক্ষ মানুষকে হত্যা করতে সক্ষম। আর ২০৫০ সালের মধ্যে তা বেড়ে এক কোটিতে দাঁড়াবে। এই করোনা পরিস্থিতির সময়ে এই প্রাসঙ্গিকতা বহুগুণে বৃদ্ধি পেয়েছে। এই প্রদর্শনী আপনাদের আরও বেশি এগিয়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করবে”। এরপর বক্তৃতা রাখেন সায়েন্স সিটির এক্সিকিউটিভ কমিটির চেয়ারম্যান প্রোফেসর শিবাজি রাহা, টাটা মেডিক্যাল সেন্টারের ডিরেক্টর ডঃ মামেন চান্ডি, মাইক্রোবায়োলজির পরামর্শকারী ডঃ সঞ্জয় ভট্টাচার্য, প্রমুখ।

এই প্রদর্শনীটি তিনটি ভাগে বিভক্ত, মাইক্রোস্কপিক, হিউম্যান ও গ্লোবাল। মাইক্রোস্কপিক বিভাগে ব্যাকটেরিয়ার গোপন জগতের সম্বন্ধে আলোচনা করা হয়েছে। তাদের আকার বা বৈশিষ্ট্য, সুপারবাগসের বিবর্তন, অ্যান্টিবায়োটিকের ইতিহাস, এই বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে। এর সাহায্যে মানুষ জীবাণুগুলির জগত সম্বন্ধে আরও বেশি জানতে পারবে ও টাচস্ক্রিন মাল্টিমিডিয়ার দ্বারা অন্বেষণ করতে সক্ষম হবে যে ব্যাকটেরিয়া কীভাবে সুপারবাগস্‌-এ পরিণত হয়।

হিউম্যান বিভাগে বেশ কয়েকটি গল্প প্রদর্শিত রয়েছে যে মানুষ কীভাবে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল প্রতিরোধের সঙ্গে মোকাবিলা করছে। এও জানা যাবে যে , যখন অ্যান্টিবায়োটিক কাজ করা বন্ধ করে দেয় তখন প্রাণের কতটা ঝুঁকি থাকে। মানুষের এমনভাবে সংক্রমিত হয় যে চিকিৎসক কিছু করতে পারেন না। এই বিভাগে কীভাবে এই সমস্যাগুলির সঙ্গে চিকিৎসক, নার্স, গবেষক, প্রচারক, বিজ্ঞানী মোকাবিলা করবে, সেদিকে আলোকপাত করানো হয়েছে।

ব্যাকটেরিয়া কোনও সীমানা ছাড়াই আমাদের দেহে দ্রুত বংশবিস্তার করে। গ্লোবাল বিভাগে নতুন অ্যান্টিবায়োটিকগুলির সন্ধানে বৈশ্বিক উদ্যোগ ও তাদের সঙ্গে মোকাবিলা করার উপায় অনুসন্ধান করা হয় বলে জানা গিয়েছে।

_taboola.push({mode:'thumbnails-a', container:'taboola-below-article', placement:'below-article', target_type: 'mix'}); window._taboola = window._taboola || []; _taboola.push({mode:'thumbnails-rr', container:'taboola-below-article-second', placement:'below-article-2nd', target_type: 'mix'});
You might also like
Comments
Loading...