সব খবর সবার আগে।

কূটনীতিতে ‘চীন যুদ্ধ’ জিততে মরিয়া ভারত! হংকং ইস্যুতে চীনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপুঞ্জে নালিশ ভারতের!

চীনের বিরুদ্ধে কূটনীতিতে বাজিমাত করতে চাইছে ভারত। লাদাখ সীমান্তে চীনা আগ্রাসনের জবাব ফিরিয়ে দিতে চীনের সঙ্গে কূটনীতির লড়াইয়ে নামল মোদী সরকার। হংকং সম্পর্কিত বিতর্কিত বিল পাশ নিয়ে রাষ্ট্রপুঞ্জের মানবাধিকার কমিশনে চীনের বিরুদ্ধে ‘নালিশ’ জানালো নয়াদিল্লি। হংকংয়ের ওপর চীনের ‘দাদাগিরি’ প্রসঙ্গে এই প্রথম মুখ খুলল ভারত। উক্ত পরিস্থিতিতে যা বেশ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন কূটনীতিকরা।

ভারতের বাজারে ৫৯টি চীনা অ্যাপ বন্ধের পর চীনের বিরুদ্ধে এটিই দেশের দ্বিতীয় বড় পদক্ষেপ।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য আন্তর্জাতিক মঞ্চের প্রতিবাদ ফুৎকারে উড়িয়ে দিয়ে সদ্যই হংকং নিয়ে বিতর্কিত জাতীয় নিরাপত্তা বিল পাশ করিয়েছে চীন। মঙ্গলবার ‘National security legislation for Hong Kong’ শীর্ষক বিলটিতে সই করেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। এর ফলে স্বায়ত্বশাসিত প্রদেশটির উপর বেজিংয়ের রাশ আরও মজবুত হয়েছে। আগে নিয়ম ছিল হংকংয়ে কেউ কোনও অপরাধ করলে তার বিচার হংকংয়ের আইন অনুযায়ী সেখানেই হত। সূত্রের খবর, নয়া আইন মোতাবেক জাতীয় নিরাপত্তার অভিযোগে কোনও ব্যক্তি অভিযুক্ত হলে তাঁকে চীনের মূল ভূখণ্ডে নিয়ে গিয়ে শাস্তি দেওয়া হবে। বিশ্লেষকদের মতে, নয়া আইন লাগু করে হংকংয়ে গণতন্ত্রকামীদের বাগে আনতে চাইছে বেজিং। এবার বেছে বেছে বিক্ষোভকারীদের নিশানা করবে শি জিনপিং সরকার।

বিতর্কিত এই আইনটি পাশ হওয়ার পর হংকং জুড়েই শোনা যাচ্ছে বিরোধিতার সুর। আমেরিকা এবং ব্রিটেন ইতিমধ্যেই চীনের এই স্বৈরাচারী পদক্ষেপের তীব্র বিরোধিতা করেছে। এবার ভারতও বেজিংয়েই এই স্বৈরাচারের বিরোধিতায় সরব হল। রাষ্ট্রপুঞ্জের মানবাধিকার কমিশনে ভারতের স্থায়ী দূত রাজীব চান্দের এই বিষয়টি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, ”হংকংয়ে বহু ভারতীয় বংশোদ্ভূত বসবাস করেন। তাই ভারত হংকংয়ের পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখছে। সাম্প্রতিক কিছু পদক্ষেপের বিরুদ্ধে সেখানে বিরোধিতার সুর শোনা গিয়েছে। আমরা আশা করব, এই বিষয়গুলি আরও গুরুত্ব দিয়ে এবং উপযুক্ত যত্ন সহকারে শোনা হবে।”

You might also like
Leave a Comment