সব খবর সবার আগে।

নেপালে ঘোরসঙ্কটে প্রধানমন্ত্রী অলি, বিক্ষুব্ধ দলের নেতারাই, ৬ই জুলাইয়ের বৈঠকে হবে ভাগ্য নির্ধারণ

নিজের দলের শীর্ষ নেতারাই দাবি করছেন তাঁর পদত্যাগের। ভারতের বিরোধিতা করতে গিয়ে নিজেই যে নিজের দলে প্রবল বিরোধিতার সম্মুখীন হবেন তা স্বপ্নেও কল্পনা করেননি নেপালের প্রধানমন্ত্রী কে পি অলি।

সম্প্রতি ভারতের উত্তরাখণ্ডের তিনটি স্থান নিজের দেশের ম্যাপে স্থান দিয়ে নতুন মানচিত্র সংসদে পাশ করিয়ে নিয়েছেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী কে পি অলি। ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক খারাপ করার জন্য শাসকদলের নেতারা এখন দোষারোপ করছেন অলিকে। তারা বলছেন যে চীনের প্ররোচনায় পা দিয়ে অলি যেসব মন্তব্য ভারতের বিরুদ্ধে করেছেন তা রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক ভাবে কখনওই সমর্থন করা যায় না।

এদিকে সম্প্রতি তিব্বত সীমান্তে নেপালের ৩৩ হেক্টর জমি দখল করে নিয়েছে চীন। তা নিয়ে রীতিমত চাপে পড়ে গিয়েছেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী। শনিবার সকাল এগারোটায় নেপাল কমিউনিস্ট পার্টির স্ট্যান্ডিং কমিটির বৈঠক হওয়ার কথা ছিল। অলির ভাগ্য সেখানেই নির্ধারিত হত। কিন্তু সেই বৈঠক শেষপর্ন্ত স্থগিত হয়ে গিয়েছে। বৈঠক হবে ৬ জুলাই।

এদিকে ৩রা জুলাই নেপালের প্রেসিডেন্ট বৈদ্য দেবী ভান্ডারির সঙ্গে দেখা করেছেন নেপালে চীনের রাষ্ট্রদূত। রাজনৈতিক মহল মনে করছে, নেপালের রাজনৈতিক সমস্যায় মাথা গলানোর চেষ্টা করছেন চীনা রাষ্ট্রদূত হো ইয়ানকি। এমনকি এও মনে করা হচ্ছে যে, নেপাল যে ভারতের উত্তরাখণ্ডের তিনটি জায়গা নিজেদের ম্যাপে স্থান দিয়েছে তাও চীনের এই রাষ্ট্রদূতের পরামর্শেই।

প্রসঙ্গত ভারতের ভূখণ্ড নিজেদের ম্যাপে জোর করে অন্তর্ভুক্ত করার পরেই অলি দাবি করেছেন, নেপালের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে মিলে তাঁকে উচ্ছেদ করার ছক কষেছে ভারত। নেপালের বিভিন্ন হোটেল ও ভারতীয় দূতাবাসে তাঁর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চলছে। এর সঙ্গে জড়িত দেশের কিছু নেতাও।

You might also like
Leave a Comment