সব খবর সবার আগে।

ইতিহাস সাক্ষী আছে বিস্তারবাদ মাথা নিচু করে! দেশ চলবে বিকাশবাদের পথে! চীনকে কড়া বার্তা মোদীর!

কোন আগাম খবর না দিয়েই আচম্বিত সীমান্ত সফর। সেনাদের মনোবল বাড়াতে ঘুরলেন সীমান্ত চৌকি থেকে সেনা হাসপাতাল। নিমুতে সামরিক সমাবেশে দাঁড়িয়ে প্রতিবেশী দেশের নাম না নিয়েই দিলেন চরম হুঁশিয়ারি। ইতিহাস সাক্ষী, যার মাথায় বিস্তারবাদের ভূত চাপে, সে শান্তি নষ্ট করে। বিস্তারবাদীরা শান্তির পক্ষে বিপজ্জনক। বিস্তারবাদের যুগ শেষ হয়ে গিয়েছে। বিস্তারবাদীরা মুছে গিয়েছে পৃথিবী থেকে লাদাখ থেকে দেওয়া ভাষণে দেশের উদ্দেশ্যে শুক্রবার এ কথাই বললেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। গোটা পৃথিবীতে যখন ‘বিকাশবাদ’ প্রাসঙ্গিক, তখন ‘বিস্তারবাদী’ চীন শান্তিভঙ্গ করছে— মোদীর ভাষণে এই বার্তা খুব স্পষ্ট ভাবেই মিলেছে এ দিন।

একইসঙ্গে তার মুখে শোনা গেছে গালওয়ান সীমান্তে ভারতীয় বাহিনীর বীরত্বের ভূয়সী প্রশংসা।

তিন বাহিনীর প্রধান চিফ অব ডিফেন্স স্টাফ জেনারেল বিপিন রাওয়াত এবং স্থলবাহিনীর প্রধান মনোজ মুকুন্দ নরবণেকে সঙ্গে নিয়ে লাদাখ গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। লেহ থেকে তিনি এলএসি-র দিকে ফরওয়ার্ড পোস্ট ঘুরে দেখেন।

সংক্ষেপে দেখে নিন প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া বক্তব্য-

ফের একবার আপনাদের সবাইকে অভিনন্দন জানাচ্ছি

১. আমরা সবাই মিলে আত্মনির্ভর ভারত গড়ে তুলব

২. ভারতের স্বপ্নপূরণে ১৩০ কোটি ভারতবাসীও পিছিয়ে থাকবে না

৩. আমরা সবাই মিলে এবং বিশেষ করে আপনারা সীমান্তে দেশকে রক্ষা করছেন

৪. আপনাদের কাছ থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে আমরা কঠিন চ্যালেঞ্জকেও মোকাবিলা করব

৫. যে বীরত্ব আপনারা এবং আপনাদের সহকর্মীরা দেখিয়েছেন, বিশ্বের কাছে ভারতের শক্তির বার্তা পৌঁছে গিয়েছে। আপনারা যেখানে মোতায়েন আছেন, তার থেকেও আপনাদের সাহসিকতা বেশি।

৬. ১৪ কোরের সাহসিকতা এবং বীরত্ব নিয়ে সারা বিশ্বের মানুষ আলোচনা করবেন। দেশের প্রতিটি বাড়িতে আপনাদের সাহসিকতা এবং বীরত্ব প্রতিধ্বনি শোনা যাচ্ছে।

৭. শত্রুপক্ষ আপনাদের মধ্যে থাকা আগুন এবং আক্রোশ দেখেছে।

৮.বীরত্বই শান্তির পূর্ব শর্ত। দুর্বলরা শান্তি আনতে পারে না।

৯. আমার সামনে মহিলা জওয়ানদের দেখছি। সীমান্তের যুদ্ধক্ষেত্রে এই দৃশ্য অনুপ্রেরণামূলক। আজ আমি আপনাদের গরিমার বিষয়ে কথা বলব।

১০.সাম্রাজ্যবাদের যুগ শেষ হয়ে গিয়েছে। এটা বিকাশবাদের যুগ। বিকাশবাদই ভবিষ্যত। অতীত সাক্ষী রয়েছে, সাম্রাজ্যবাদী শক্তি ধ্বংস হয়ে গিয়েছে, নাহলে হার মেনেছে।

১১. রাষ্ট্রের সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় দুই মায়ের কথা স্মরণ করি আমি। একজন হলেন – আমাদের সবার ভারতমাতা। আর অপর মা হলেন, সেইসব মায়েরা, যাঁরা আপনাদের মতো বীর সন্তানদের জন্ম দিয়েছেন।

১২.আপনাদের সঙ্কল্প এই উপত্যকার চেয়েও শক্ত।

১৩. আপনারাই প্রকৃত অর্থে বীর।

You might also like
Leave a Comment