দেশে বিদেশে

‘পাক প্রশাসনের নৃশংসতা থেকে আমাদের বাঁচান মোদীজি’, প্রধানমন্ত্রীকে কাতর আর্জি পাক অধিকৃত কাশ্মীরের বাসিন্দার

সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও বেশ ভাইরাল হয়েছে যা ভারত ও পাকিস্তানের নেটিজেনদের মধ্যে শোরগোল ফেলে দিয়েছে। এই ভিডিওতে পাক অধিকৃত কাশ্মীরের এক বাসিন্দাকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কাছে কাতর আর্তি জানাতে শোনা যায় যে, “আমাদের এই যন্ত্রণা মুক্তি দিন। আমাদের বাঁচান”।

জানা গিয়েছে, পাক অধিকৃত কাশ্মীরের বাসিন্দা ওই ব্যক্তির নাম মালিক ওয়াসিম। তিনি অভিযোগ করেছেন যে গত কয়েকদিন ধরে পাক অধিকৃত কাশ্মীরের পুলিশ ও প্রশাসন তাঁর জীবন নরক করে তুলেছে। এমন পরিস্থিতিতে তাই তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রীর কাছে সাহায্যের আর্তি জানাচ্ছেন।

ওয়াসিম জানান যে তাঁর বসত বাড়িটি আসলে ভারতের তথা শিখ সম্প্রদায়ের সম্পত্তি। সম্প্রতি পাক প্রশাসন তাঁকে ওই বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছে। বর্তমানে তিনি ছেলেমেয়েদের নিয়ে রাস্তায় এসে দাঁড়িয়েছেন। এমন পরিস্থিতিতে তাই ভারতের সাহায্য প্রার্থনা করছেন ওয়াসিম।

ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিওতে ওয়াসিম মালিককে বলতে শোনা গিয়েছে, “পুলিশ আমার বাড়িতে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছে। আমি মুজাফ্ফরাবাদের কমিশনারকে বলেছি, ফিরিয়ে দিন আমাদের বাড়ি। দেখছেন না কীভাবে আমি ছেলেমেয়েদের নিয়ে রাস্তায় এসে দাঁড়িয়েছি। যদি ভাল-মন্দ কিছু ঘটে যায় তাহলে কমিশনার ও তহশিলদার দায়ী থাকবেন”।

ভিডিওতে এরপরই ওয়াসিম বলেন, “ভারত সরকারের সাহায্য চাইতে বাধ্য করা হচ্ছে আমাকে। প্রধানমন্ত্রী মোদির কাছ আমার অনুরোধ, এদের উপযুক্ত শিক্ষা দিন”। ওয়াসিম কাতর আর্তি জানিয়ে বলেছেন, “পাকিস্তানের এই নৃশংসতা থেকে আমাদের বাঁচান নরেন্দ্র মোদীজি”।

প্রসঙ্গত, গতকাল, মঙ্গলবার রাষ্ট্রসংঘে ভারত অভিযোগ জানায় যে ১৯৯৩ সালে মুম্বইয়ে যে ধারাবাহিক বিস্ফোরণ হ্য, সেই ঘটনার অভিযুক্তরা যে পাকিস্তানে শুধুমাত্র আশ্রয় পেয়েছে তা নয়, তারা সেই দেশের সরকারের থেকে পাঁচতারা আথিথেয়তা পাচ্ছে। ভারতের ত্রফে এও জানানো হয় যে ডি কোম্পানির প্রধান দাউদ ইব্রাহিমও পাকিস্তানেই লুকিয়ে রয়েছে।

 বলে রাখি, গত শনিবারই পাকিস্তানের করাচিতে মৃত্যু হয় ১১৯৩ সালে মুম্বইয়ের ধারাবাহিক বমাক বিস্ফোরণের অন্যতম অভিযুক্ত সেলিম গাজির। পুলিশ সূত্রে খবর, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় ওই অভিযুক্তের।

Related Articles

Back to top button