সব খবর সবার আগে।

ভারতের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র! রিহানা ও গ্রেটার টুইট পূর্বপরিকল্পিতভাবেই করা হয়েছে, প্রমাণ মিলল গ্রেটার নথিতেই

গত ২রা ফেব্রুয়ারি বিদেশী পপ গায়িকা রিহানা ও সমাজকর্মী গ্রেটা থুনবার্গ ভারতে কৃষক আন্দোলনকে সমর্থন করে টুইট বার্তা দেন। গত দু’মাস ধরে কৃষি আইনের বিরুদ্ধে তাঁরা দিল্লিতে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন। এমনকি, প্রজাতন্ত্র দিবসের দিন তারাই দিল্লিতে আন্দোলন করে লালকেল্লা দখল করে জাতীয় পতাকার জায়গায় ধর্মীয় পতাকা উড়িয়ে দেন। এতে চূড়ান্ত অপমান হয় জাতীয় পতাকার।

এরপর গ্রেটা থুনবার্গ ও রিহানা কৃষকদের সমর্থনে টুইট করার পর গ্রেটার নথি থেকেই এই তথ্য ফাঁস হয় যে তাদের এই টুইট পরিকল্পিত ও অনেকদিন আগে থেকে এমন ধরণের টুইট করার পরিকল্পনা চলছে শুধুমাত্র আন্তর্জাতিক স্তরে ভারতকে হেনস্থা করার জন্য। আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের স্বীকার ভারত।

জানা যায় যে গ্রেটা থুনবার্গ নিজের সম্পূর্ণ শক্তি লাগিয়েই এই ঘটনা ঘটিয়েছে। পারদর্শিতার সঙ্গে তারিখ ও সময় নির্ধারণ করে আন্দোলনের নামে বিক্ষোভ ছড়াবার চেষ্টা চলেছে। ভারতকে কার্যত বদনাম করার জন্যই এই কাজ। তাঁর জারি করা নথির মাধ্যমেই এই কথা জানা যায়।

টুইটারের মাধ্যমে থুনবার্গ সরকারী বিরোধী শক্তিকে উস্কানোর সবরকম পরিকল্পনা করে। সকলের কাছে আবেদন করে সে জানায় যে ৪ঠা ও ৫ই ফেব্রুয়ারি ১১টা থেকে দুপুর ২টো পর্যন্ত টুইটারে ঝড় তুলে দিতে হবে। এমনকি, সরকারী কর্মকর্তাদের ফোনে বা মোবাইলের মাধ্যমে পদক্ষেপ করতে বলা হয়।

তাঁর এই ষড়যন্ত্র ফাঁস হওয়ার পর সে আবার নতুন করে একটি নথি টুইটারে আপলোড করে সাফাই দেয় যে আগের নথিটি টুইটার কর্তৃপক্ষ থেকে মুছে দেওয়া হয়েছে। তাঁর সেই আগের নথিতে দেখা যায় ‘সলিডারিটি উইথ ইন্ডিয়ান ফারমার্স- টুইট স্ট্রর্ম’ নামের একটি নথি রয়েছে, যার মধ্যে সমর্থক হিসেবে তাঁর নিজের ও রিহানার নাম দেওয়া রয়েছে। রিহানা যে ধরণের টুইট করেন, সেই ধরণের আরও কিছু টুইটের স্যাম্পেলও দেখা যায় সেখানে। এই সমস্ত নথির তারিখ দেখলে জানা যায় যে এগুলি আসলে গত বছরের নভেম্বরে তৈরি। এর অর্থ বেশ কিছুদিন ধরেই ভারতের বিরুদ্ধে চক্রান্ত চলছে।

এরপর দেখা যায় রিহানা টুইট করার ঠিক চার ঘণ্টার মধ্যেই গ্রেটাও একই ধরণের টুইট করেন। তবে সন্দেহ করা হচ্ছে যে এই সবকিছুর মূলচক্রী হতে পারেন কানাডার খালিস্তানি নেতা জগমিত সিং। এছাড়া, এও হতে পারে যে রিহানা ও গ্রেটাকে কোনও জনসংযোগ সংস্থা থেকে এই কাজের জন্য নিযুক্ত করা হয়েছে। তবে সূত্রের খবর অনুযায়ী, রিহানা ও জগমিত একে অপরকে ভালবভাবেই চেনেন এবং তার অনুরোধে রিহানা এই টুইট করলেও করতে পারেন। তবে এটা বেশ পরিষ্কার যে ভারতের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেই এই কাজ কর হয়েছে।

You might also like
Comments
Loading...