সব খবর সবার আগে।

“প্রজন্মের পর প্রজন্মকে প্রেরণা জুগিয়ে আসছেন স্বামীজি! তাঁর প্রেরণাকে পাথেয় করে আত্মনির্ভর ভারত গড়তে হবে”, জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে প্রধানমন্ত্রী

আজ ১২ জানুয়ারি। যুবসমাজের নির্মাণের কারিগর স্বামী বিবেকানন্দের জন্মদিন। আর তার জন্ম তিথিকে রাজনীতির আঙিনায় নিয়ে এসে ফেলেছে তাঁর জন্মভূমি বাংলার রাজনৈতিক দলগুলি। কারণ সামনেই বাংলায় বিধানসভা নির্বাচন। বিবেকানন্দ কার বেশি আপনার, প্রমাণ করতে মরিয়া তৃণমূল , বিজেপি।

আর বঙ্গ রাজনীতির এই উত্তপ্ত সময়েই স্বামী বিবেকানন্দের ১৫৮ তম জন্মতিথিতে  ন্যাশনাল ইয়ুথ পার্লামেন্ট জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন  প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। |

ভিডিও কনফারেন্সিং-এর মাধ্যমে ভাষণে নতুন প্রজন্মকে রাজনীতিতে আসার আহ্বান জানান দেশ প্রধান। পাশাপাশি বিবেকানন্দের জন্মতিথিকে মাধ্যম করে নতুন জাতীয় শিক্ষানীতির প্রয়োজনীয়তাকে তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “ব্যক্তি নির্মাণে জোর দেয় নতুন জাতীয় শিক্ষানীতি।”

নিজের বক্তব্যে তিনি বলেন, “প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ব্যক্তি গড়েছেন স্বামীজি। প্রজন্মের পর প্রজন্মকে প্রেরণা জুগিয়ে আসছেন স্বামীজি”।

একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী মনে করিয়ে দেন,  স্বামীজি বলেছেন, যাঁর নিজের ওপর ভরসা নেই সেই নাস্তিক। তিনি আরও বলেন, “উন্নত প্রতিষ্ঠান দেশের উন্নত চিন্তাধারার জন্ম দেয়। স্বামীজির দর্শন দেশকে প্রেরণা জোগায়। স্বামীজীর এই দর্শনকেই পাথেয় করে আত্মনির্ভর ভারত গড়ে তুলতে হবে।”

একইসঙ্গে আজ দেশের যুব সমাজকে রাজনীতিতে আসার জন্য আহ্বান জানান তিনি। বলেন,  “রাজনীতি দেশের শাসক বদলের মাধ্যম। রাজনীতিতে নতুন প্রজন্মের প্রয়োজন। কারণ, তাহলেই সেখানে আসবে নতুন ধারণা। আগে রাজনীতিতে আসা মানেই সন্তান খারাপ হয়ে গিয়েছে বলে ধরা হত। কিন্তু সেই ধারণাকে বদলাতে হবে। বদলে গিয়েছেও। এখন নতুন প্রজন্মকে রাজনীতিতে দেখা যাচ্ছে। যুবরাজই দেশকে নেতৃত্ব দেবে। জন প্রতিনিধিও জানেন রাজনীতিতে দাঁড়াতে গেলে ‘সিভি স্ট্রং’ হতে হবে। সে কী কী কাজ করেছে তা দেখবে সাধারণ মানুষ”।

এদিন তিনি আরও বলেন, “রাজনীতিতে পরিবারতন্ত্র এখনও রয়েছে। যা একেবারে প্রযোজ্য নয়। কী পাবেন তা না ভেবে, কী কাজ করবেন সেই লক্ষ্য নিয়ে রাজনীতিতে আসুক নতুন প্রজন্ম। তা না হলে লোকতন্ত্র দুর্বল হয়ে যাবে। রাজনীতিতে এগিয়ে আসতে হবে যুবদের”।

 

You might also like
Comments
Loading...