সব খবর সবার আগে।

কংগ্রেসের ‘সিনিয়র গান্ধীর’ প্রশ্নবাণে জর্জরিত প্রধানমন্ত্রী! কবে থেকে চীনা সেনা ভারতীয় ভূখণ্ডে ঢুকতে শুরু করে? সরকার কি ভারতীয় সীমান্তের উপগ্রহ চিত্র আগে পায়নি? প্রশ্ন তাঁর!

আজ বিকেলে ভার্চুয়াল জনসভায় ভারত-চীন সীমান্ত পরিস্থিতিকে কেন্দ্র করে সর্বদলীয় বৈঠক ডাকেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আর সেখানেই কার্যত প্রধানমন্ত্রীকে আক্রমণ করেন কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী।

বৈঠকের শুরুতেই বক্তব্য রাখেন কংগ্রেস সভানেত্রী । লাদাখের গালওয়ান উপত্যকায় চীনাবাহিনীর সঙ্গে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে ২০ জন ভারতীয় জওয়ান শহিদ হওয়ার ঘটনায় কার্যত কেন্দ্রীয় সরকারকেই কাঠগড়ায় তোলেন সোনিয়া। প্রধানমন্ত্রীর কাছে তাঁর স্পষ্ট প্রশ্ন, “কবে থেকে চিনা সেনা ভারতীয় ভূখণ্ডে ঢুকতে শুরু করে? আগ্রাসনের কথা কবে জানতে পারে সরকার? সরকার কি ভারতীয় সীমান্তের উপগ্রহ চিত্র আগে পায়নি? LAC-তে চিনা সেনার সন্দেহজনক গতিবিধি নিয়ে কি কোনও গোয়েন্দা রিপোর্ট ছিল না? সরকারকে কি আগাম সতর্ক করা হয়নি? কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা এক্ষেত্রে কি আগাম সতর্ক করতে ব্যর্থ?”

এই মুহূর্তে দাঁড়িয়ে লাদাখের বর্তমান কি পরিস্থিতি তা দেশবাসী জানতে চায় বলেও প্রধানমন্ত্রীকে বলেন সোনিয়া গান্ধী। একইসঙ্গে জানতে চান চীনের সঙ্গে মোকাবিলার জন্য যে মাউন্টেন স্ট্রাইক কর্প গঠন করা হয়েছিল, তা বর্তমানে কী অবস্থায় আছে?

চলতি বছরের এপ্রিল থেকে এখনও পর্যন্ত লাদাখে পর্যায়ক্রমে কী ঘটেছে না ঘটেছে, সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে বিরোধীদের অবগত করার দাবি জানান তিনি। লাদাখের পরিস্থিতি নিয়ে প্রতিদিন বিরোধীদের ‘ব্রিফ’ করার কথা বলেন সোনিয়া গান্ধী।

সোনিয়া গান্ধী আরও বলেন, “আরও আগেই এই বৈঠক ডাকা উচিত ছিল। ৫ মে যখন বিভিন্ন রিপোর্টে লাদাখে চীনা সেনার সন্দেহভাজন গতিবিধি সামনে আসতে শুরু করে, তখনই এই বৈঠক ডাকা উচিত ছিল। এরপর ৬ জুন সীমান্তে দুই বাহিনীর কম্যান্ডার বৈঠক করে। এর মাঝে অনেকটা সময় নষ্ট হয়ে গিয়েছে। ৬ জুনের পরেও রাজনৈতিক ও কূতনৈতিক স্তরে চীনের নেতৃত্বের সঙ্গে সরাসরি কথা বলা উচিত ছিল। কিন্তু তা হয়নি। লাদাখে ২০ জন জওয়ান শহিদ হয়ে গিয়েছেন। এটা কাম্য ছিল না।”

একইসঙ্গে কংগ্রেস সভানেত্রী স্পষ্ট জানান, দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ভারতীয় কংগ্রেস ও সব বিরোধী দল ঐক্যবদ্ধভাবে ভারতীয় সেনাবাহিনীর পাশে আছে।

You might also like
Leave a Comment