সব খবর সবার আগে।

বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পরেই রাজ্যসভার প্রার্থী জ্যোতিরাদিত্য

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

প্রতীক্ষার অবসান! বুধবার দুপুরে অবশেষে দিল্লিতে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নড্ডার হাত ধরে গেরুয়া শিবিরে যোগ দিলেন জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া। আর বিজেপিতে যোগ দিয়েই তিনি কংগ্রেসের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন। বিজেপির সদর দফতরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে চারবারের কংগ্রেস সাংসদ বলেন, ‘এখন আর সেই কংগ্রেস নেই। বাস্তবকে অস্বীকার করছেন কংগ্রেস নেতৃত্ব। একইসঙ্গে কমল নাথের সরকারকে একহাত নিয়ে জ্যোতিরাদিত্য বলেন, প্রতিশ্রুতি পালনে ব্যর্থ মধ্যপ্রদেশ সরকার। আজ কৃষকরা হতাশ, যুবরা হতাশ, রোজগার নেই, মাফিয়ারাজ চলছে মধ্যপ্রদেশে। কংগ্রেসে থেকে মানুষের সেবা করতে পারছিলাম না।’ এমনকি সত্যের পথ নিলে তাঁকেও নিশানা করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ জ্যোতিরাদিত্যর। তাই জনসেবা করার জন্যই তিনি বিজেপিতে যোগ দিলেন এবং মোদীজি, অমিতজি নড্ডাজি তাঁকে জনসেবা করার সুযোগ দেওয়ায় তাঁদের ধন্যবাদও জানিয়েছেন বহিষ্কৃত এই কংগ্রেস নেতা।

অন্যদিকে, জ্যোতিরাদিত্যর মত তরুণ নেতাকে পেয়ে আপ্লুত বিজেপি নেতৃত্বও। এদিন জেপি নড্ডা স্বয়ং জ্যোতিরাদিত্যকে উত্তরীয় পড়িয়ে, হাতে গেরুয়া পতাকা দিয়ে তাঁকে দলে স্বাগত জানান। তিনি বলেন, ‘রাজমাতাও জনসঙ্ঘের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। আজ খুব খুশির দিন, জ্যোতিরাদিত্য বিজেপি দলে যোগ দিলেন।’ জ্যোতিরাদিত্যর কাছে অবশ্য বিজেপিতে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দেওয়ার থেকে কংগ্রেস ছাড়া এবং গেরুয়া শিবিরে প্রবেশের প্রথম পদক্ষেপের দিনটি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর কথায়, আমার জীবনে দুটো তারিখ খুব গুরুত্বপূর্ণ। প্রথম তারিখ ৩০ সেপ্টেম্বর ২০০১। এই দিন বাবাকে হারিয়েছিলাম। জীবন বদলের দিন ছিল সেটা। আর দ্বিতীয় দিনটি হল ১০ মার্চ ২০২০। জীবনে নতুন পরিকল্পনা, নয়া মোড় এসেছে এই দিনে।

প্রসঙ্গত, ১০ মার্চ তারিখেই জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া নরেন্দ্র মোদি ও অমিত শাহর সঙ্গে বৈঠক করেন এবং বৈঠক শেষে কংগ্রেস থেকে ইস্তফা দেন। জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া গেরুয়া শিবিরে যোগ দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুরস্কার হিসেবে রাজ্যসভার টিকিটও পাচ্ছেন। আগামী ১৩ মার্চ রাজ্যসভার প্রার্থী হিসাবে মনোনয়নপত্র জমা দেবেন তিনি। শুধু তাই নয়, মোদি সরকার জ্যোতিরাদিত্যকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিত্বও দেবে বলে শোনা যাচ্ছে।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.