সব খবর সবার আগে।

স্বপ্ন অধরা কংগ্রেসের! মণিপুরের ক্ষমতার রাশ ধরে রাখল বিজেপিই! নেপথ‍্যে শাসকের দুই চাণক্য।

রাজনীতিতে হঠাৎ করেই অশান্তি শুরু হয় মনিপুরে। ক্ষমতায় থাকা বিজেপি এবং এনপিপি জোট সরকারের মধ্যে গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই দেখা দেয় ভাঙন। পরিস্থিতি সামলাতে মনিপুরের মুখ্যমন্ত্রী কনরাড সাংমা ছুঁটে যান দিল্লিতে। অবশেষে স্বস্তির হাঁফ ছাড়লেন তিনি।

লাগাতার কয়েকদিন ধরে বিজেপি সভাপতি জেপি নাড্ডার সঙ্গে বৈঠকের পর জট কাটল মনিপুরের। বিজেপির হাতেই রাশ র‌ইলো মনিপুরের। এর ফলে বিজেপির হাত থেকে ক্ষমতা ছিনিয়ে নেওয়ার যে স্বপ্ন কংগ্রেস দেখেছিল, তা অধরাই থাকতে চলেছে। আর এর নেপথ্যে রয়েছেন বিজেপির দুই চাণক্য। প্রথমজন অবশ্যই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, যাঁকে গোটা ভারতের রাজনীতির চাণক্য বলা হয়। আর দ্বিতীয়জন অসমের স্বাস্থ্যমন্ত্রী তথা উত্তরপূর্ব ভারতে এনডিএ জোটের কনভেনার হিমন্ত বিশ্বশর্মা।

আর এই দুই নেতার হস্তক্ষেপের ফলেই মণিপুরে আপাতত ক্ষমতা ধরে রাখা নিশ্চিত করল বিজেপি। উত্তরপূর্বের এই ছোট রাজ্যে হঠাৎ রাজনৈতিক ডামাডোল তৈরি হয় এনপিপির চার, তৃণমূলের এক এবং এক নির্দল বিধায়ক সরকারের উপর থেকে সমর্থন তুলে নিলে। মুখ্যমন্ত্রীর ভূমিকায় ক্ষোভপ্রকাশ করে দল ছাড়েন তিন বিজেপি বিধায়কও। এই ৯ জন বিধায়কের সমর্থন নিয়ে ইবোবি সিংয়ের নেতৃত্বে সরকার গড়ার দাবি জানায় কংগ্রেস। বেগতিক বুঝে তড়িঘড়ি পরিস্থিতি সামলাতে আসরে নামেন অমিত। দ্রুত মণিপুর পাঠান নিজের বিশ্বস্ত সৈনিক হিমন্তকে। যাঁর হস্তক্ষেপে দ্রুত জট কাটার ইঙ্গিত মেলে।

বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে কথা বলতে রাজি হন বিদ্রোহী বিধায়করা। দ্রুত তাঁদের মণিপুর থেকে গুয়াহাটি সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। তারপরই গতকাল অমিত শাহর সঙ্গে দেখা করেন তাঁরা। বিজেপির দাবি, দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব বিক্ষুব্ধ চার বিধায়কের দাবি মেনে নিয়েছে। এবং ওই চার বিধায়ক এনডিএ তেই থাকবেন।

অন্যদিকে অসমের স্বাস্থ্যমন্ত্রী তথা উত্তর পূর্ব ভারতের বিজেপির ক্রাইসিস ম্যানেজার এদিন টুইট করে জানান, যে বিধায়করা দলত্যাগের কথা ভাবছিলেন, তাঁরা আপাতত সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেছেন। সভাপতি জেপি নাড্ডার সঙ্গে বৈঠকের পরেই মনিপুরের সমস্যার সমাধান ঘটেছে।

Leave a Comment