দেশ

জল্পনার অবসান! পঞ্জাবের নতুন মুখ্যমন্ত্রী হলেন চরণজিৎ সিং চান্নি

সব জল্পনার অবসান ঘটল শেষমেশ। পঞ্জাবের নতুন মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচিত হলেন চরণজিৎ সিং চান্নি। গতকাল ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিং ইস্তফা দেওয়ার পর থেকেই জল্পনা শুরু হয় যে রাজ্যের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন, এই নিয়ে। তবে আজ, রবিবার বিকেলে সেই জল্পনার অবসান ঘটালেন কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদন হরিশ রাওয়াত।

পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রীর নাম স্থির করতে গতকাল, শনিবারই কংগ্রেসের পরিষদীয় দল বৈঠকে বসে। সেখানে দলের ৮২ জন বিধায়কের মধ্যে ৮০ জনই উপস্থিত ছিলেন। ছিলেন না শুধু ক্যাপ্টেন নিজে ও তাঁর ঘনিষ্ঠ এক বিধায়ক।

এদিনের বৈঠকে পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন, তা স্থির করার দায়িত্ব দেওয়া হয় সোনিয়া গান্ধীর উপরেই। সেই অনুযায়ীই সিদ্ধান্ত নেন হাই কম্যান্ড। গান্ধী পরিবারের ঘনিষ্ঠ হওয়ার জেরে অনেকেই ভেবেছিলেন হয়ত অম্বিকা সোনি হবেন পঞ্জাবের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু তিনি রাজী হন নি।

এছাড়াও মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে ছিলেন রাহুল গান্ধী ঘনিষ্ঠ প্রাক্তন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সুনীল জাখর। নবজ্যোত সিং সিধুকে নিয়েও চলছিল ভাবনাচিন্তা। এছাড়াও মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার জন্য নাম শোনা যাচ্ছিল রবনীত সিং বিট্টো ও প্রতাপ সিং বাজওয়ারও। তবে শেষ পর্যন্ত সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে মুখ্যমন্ত্রী হলেন চরণজিৎ সিং চান্নিই।

গতকাল মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিলেন পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিং। পঞ্জাবের এই অন্তর্দ্বন্দ্ব চলছে দীর্ঘদিন ধরেই। ২০১৭ সালে অমরিন্দর সিং ক্ষমতায় আসার পর নভজ্যোত সিং সিধুর সঙ্গে তাঁর সেভাবে বনিবনা হয়নি কোনওদিনই। প্রথমের দিকে পঞ্জাব কংগ্রেসের একচ্ছত্র অধিপতি ছিলেন অমরিন্দরই। পরের দিকে সিধু মন্ত্রিসভা থেকে ইস্তফা দেন। তবে সিধুকে আগাগোড়া সমর্থন করে গিয়েছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। কংগ্রেসে তাঁর গুরুত্ব বৃদ্ধি পাওয়ার নেপথ্যে রাহুলই রয়েছেন, এমন মত রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের। এরপর গতকাল, শনিবার তিনি সোনিয়া গান্ধীকে জানিয়ে দেন যে এভাবে অপমানজনক পরিস্থিতিতে তাঁর পক্ষে আর দলে থাকা সম্ভব নয়। এর জেরে মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দেন তিনি।

Related Articles

Back to top button