সব খবর সবার আগে।

চাষির ছেলেই দেশকে জোগাবে করোনার প্রতিষেধক! স্বপ্ন দেখাচ্ছে ভারত বায়োটেক!

চাষি পরিবারের ছেলে তিনি। চাষবাস নিয়েই শুরু করেছিলেন পড়াশোনা। কিন্তু আর্থিক অবস্থা ভালো না হওয়ায় কৃষি নিয়ে পড়াশোনা এগোয়নি। এর পর তিনি একটি কেমিক্যাল ও ফার্মাসিউটিকল সংস্থায় যোগ দেন। পরে স্কলারশিপ পেয়ে উড়ে যান আমেরিকায় পড়াশোনা করতে যান। সেখানেই তিনি একের পর এক বড় সংস্থায় চাকরি পান। তিনি ডা. কৃষ্ণাণ। তার মা সব সময় চাইতেন ছেলে যেন‌ও দেশে ফিরে কাজ করে। এর পরই মায়ের কথা শুনে তিনি দেশে ফেরেন। খোলেন ভারত বায়োটেক নামে একটি ল্যাব। সেই ল্যাব‌ই এখন দেশকে স্বপ্ন দেখাচ্ছে করোনার হাত থেকে মুক্তির।

অন্যান্য সব দেশের মতো ভারত‌ও নিরন্তর চেষ্টা চালাচ্ছে করোনার প্রতিষেধক তৈরীর। ১৫ই অগাস্ট দেশের স্বাধীনতা দিবসের দিন লঞ্চ হতে পারে এই প্রতিষেধক। প্রতিটি দেশের বিজ্ঞানীরা নিজেদের সামর্থ অনুযায়ী এই জীবনদায়ী ভ্যাকসিন আবিষ্কারে দিন-রাত এক করে ফেলেছেন। ভারতও পিছিয়ে নেই। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আগেই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, ১৫ অগাস্ট ভ্যাকসিন আবিষ্কারের সুখবর শোনাতে পারে দেশীয় সংস্থা ভারত বায়োটেক। হিউম্যান ক্লিনিকাল ট্রায়াল-এর জন্যও অনুমতি দেওয়া হয়েছে। হায়দরাবাদের এই সংস্থার গবেষণা চিকিৎসাশাস্ত্রের নতুন পথ খুলে দিতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

ইতিমধ্যে এই ভ্যাকসিন নিয়ে অনেক প্রশ্ন উঠেছে। কেউ কেউ বলেছেন, কেন ১৫ অগাস্ট! তার আগে কেন নয়! অনেকেই আবার বলেছেন, এত তাড়াহুড়ো করে ভ্যাকসিন লঞ্চ করলে ক্ষতির আশঙ্কা বেশি। তবে এসব বিতর্কের মাঝে ভারত বায়োটেক নিজের কাজ করে চলেছে। ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব বাইরোলজি ও ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিক্যাল রিসার্চ-এর সহযোগিতায় এই ভ্যাকসিন নিয়ে কাজ করছে হায়দরাবাদের ওই সংস্থা। এর আগেও এই সংস্থা প্রচারের আলোয় এসেছিল। সবচেয়ে সস্তায় হেপাটাইটিসের ভ্যাকসিন আবিষ্কার করেছিল তারা। এমনকী জিকা ভাইরাসের টিকাও আবিষ্কার করে বিশ্ববাসীকে উপহার দিয়েছিল এই সংস্থা।

_taboola.push({mode:'thumbnails-a', container:'taboola-below-article', placement:'below-article', target_type: 'mix'}); window._taboola = window._taboola || []; _taboola.push({mode:'thumbnails-rr', container:'taboola-below-article-second', placement:'below-article-2nd', target_type: 'mix'});
You might also like
Comments
Loading...
Share